kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩০ আষাঢ় ১৪২৭। ১৪ জুলাই ২০২০। ২২ জিলকদ ১৪৪১

ব্যক্তিত্ব

১২ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

অমিয় চক্রবর্তী

কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অমিয় চক্রবর্তীর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে ১০ এপ্রিল ১৯০১ সালে। তাঁর বাবার নাম দ্বিজেশচন্দ্র চক্রবর্তী এবং মা অনিন্দিতা দেবী। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার তিরিশের দশকের অন্যতম কবি। অল্প বয়সে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা অরুণ চক্রবর্তী আত্মহত্যা করলে তিনি তীব্র শোকে আক্রান্ত হন। তাঁর স্বভাবে পরিবর্তন আসে, চঞ্চলতা ও ক্রীড়ানুরাগ লুপ্ত হয়ে আসে অন্তর্মুখিনতা। তিনি স্বল্পবাক ও ভাবুক হয়ে ওঠেন। এরপর কলকাতায় এসে হেয়ার স্কুলে ভর্তি হন, থাকতেন মামার বাড়িতে। উচ্চশিক্ষিত মামাদের সংস্পর্শে তাঁর মানসজগৎ আলোকিত হয়ে ওঠে। মামা তাঁকে বীরবল ও সবুজপত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ম্যাট্রিক পাসের পর হাজারিবাগে আইরিশ মিশনের সেন্ট কলম্বাস কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। ১৯২১ সালে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন। পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ পাস করেন ১৯২৬ সালে। কবি টমাস হার্ডির কাব্য নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৩৭ সালে ডি.ফিল লাভ করেন। পৃথিবীর নানা মনীষার সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল তাঁর। শান্তিনিকেতনে ১৯২৬ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কাজ ছিল বিদেশি অতিথিদের পরিচর্যা করা, ক্লাস নেওয়া এবং রবীন্দ্রনাথকে নানা গ্রন্থ-তথ্য সংগ্রহে সাহায্য করা। ১৯৪৮ সালে তিনি ভারত ছেড়ে স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হলেও দেশের টানে একাধিকবার দেশে এসেছেন। বুদ্ধদেব বসু তাঁকে ‘কবির কবি’ আখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি দেশিকোত্তম, পদ্মভূষণসহ অনেক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। ১২ জুন ১৯৮৬ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। 

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা