kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১         

ব্যক্তিত্ব

১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

মেহেদী হাসান

গজলশিল্পী মেহেদী হাসানের জন্ম ভারতের রাজস্থানে ১৮ জুলাই ১৯২৭ সালে। তাঁর বাবার নাম ওস্তাদ আজিম খান। বাবার কাছেই তাঁর সংগীতে হাতেখড়ি। তাঁর বাবা ও চাচা উভয়েই সনাতন ঘরানার ধ্রুপদি সংগীতে দক্ষ ছিলেন। তিনি পাকিস্তানের গজল গায়ক ও ললিউডের নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী ছিলেন; কিন্তু গজলসম্রাট মেহেদী হাসান নামেই সমধিক পরিচিত। দেশভাগের পর পরিবারের সঙ্গে পাকিস্তানে অভিবাসিত হন। সেখানে তাঁকে নানা অর্থনৈতিক সমস্যায় ভুগতে হয়; সাইকেলের দোকানে কাজ করতে থাকেন। সেখানে তিনি গাড়ি ও ডিজেল ট্রাক্টর মেকানিক হিসেবে ছিলেন। ১৯৫২ সালে তিনি প্রথমবারের মতো রেডিও পাকিস্তানে গান করার সুযোগ পান এবং সংগীতবোদ্ধাদের দৃষ্টি আকর্ষণ ও মন জয় করেন। পরীক্ষামূলকভাবে খণ্ডকালীন গজল গাইতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে তিনি পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশ ভারতের সংগীত ঘরানায় অন্যতম জনপ্রিয় গজল গায়কে পরিণত হন। পরে তিনি পাকিস্তান সরকারের তরফে তমঘা-ই-ইমতিয়াজ, প্রাইড অব পারফরম্যান্স, হিলাল-ই-ইমতিয়াজ এবং নেপাল সরকারের পক্ষ থেকে গোর্খা দক্ষিণা বাহু উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯৮০-এর দশকের শেষার্ধ থেকে তিনি নানা অসুখবিসুখে আক্রান্ত হতে থাকেন। ২০১০ সালে এইচএমভি থেকে ‘সারাদিন’ শিরোনামে দ্বৈত গানের অ্যালবাম প্রকাশ করেন। এটি ছিল তাঁর প্রথম ও শেষ দ্বৈত গানের অ্যালবাম। এতে ‘তেরে মিলনা’ গানে লতা মুঙ্গেশকরের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান তিনি। ২০০৯ সালে গানটি পাকিস্তানে রেকর্ড করা হয়। ২০১২ সালের ১৩ জানুয়ারি করাচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা