kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

ব্যক্তিত্ব

১৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

জসীমউদ্দীন

কবি ও শিক্ষাবিদ জসীমউদ্দীনের জন্ম ফরিদপুরে ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি। তাঁর বাবার নাম আনসারউদ্দীন মোল্লা। শৈশবে ফরিদপুর হিতৈষী স্কুলে তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয়। পরে ফরিদপুর জিলা স্কুল থেকে ১৯২১ সালে প্রবেশিকা, রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ১৯২৪ সালে আইএ এবং ১৯২৯ সালে বিএ পাস করেন। ১৯৩১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ পাস করেন। পল্লীসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৩৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে লেকচারার পদে যোগদান করেন। ১৯৪৪ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান সরকারের প্রচার বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬২ সালে ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে অবসরগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবনেই তাঁর কবিত্বশক্তির প্রকাশ ঘটে। তখন থেকেই তিনি তাঁর কবিতায় পল্লীপ্রকৃতি ও পল্লীজীবনের সহজ-সুন্দর রূপটি তুলে ধরেন। কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতা প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ : ‘নক্সী কাঁথার মাঠ’, ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’, ‘রঙিলা নায়ের মাঝি’, ‘বেদের মেয়ে’, ‘ঠাকুরবাড়ির আঙিনায়’, ‘বাঙালীর হাসির গল্প’ ইত্যাদি। গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও লোকজীবন তাঁর কবিতায় নতুন রূপ লাভ করেছে। মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসিকান্না ও জীবনসংগ্রামের কাহিনিই তাঁর কবিতার প্রধান উপজীব্য। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার ডিগ্রি, একুশে পদক, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারসহ নানা পুরস্কারে তিনি ভূষিত হয়েছেন। ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ তিনি মারা যান। 

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা