kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

তপন সিংহ

চলচ্চিত্র পরিচালক তপন সিংহের জন্ম ভারতের বীরভূম জেলার মুরারই থানার জাজিগ্রামে প্রসিদ্ধ সিংহ পরিবারে ২ অক্টোবর ১৯২৪ সালে। তাঁর বাবার নাম ত্রিদিবেশ সিংহ এবং মা প্রমীলা। তিনি ছিলেন ভাই-বোনের মধ্যে পঞ্চম। অভিনেত্রী অরুন্ধতী দেবী তাঁর পত্নী ছিলেন। পড়াশোনা করেছেন ভাগলপুর ও কলকাতায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর করার পর ১৯৪৬ সালে তিনি নিউ থিয়েটার্স স্টুডিওতে সহকারী শব্দগ্রহণকারী হিসেবে যোগ দেন। পরে লন্ডনের পাইনউড স্টুডিয়োতে কাজ করেন। ১৯৫৪ সালে ‘অঙ্কুশ’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। তাঁর চতুর্থ ছবি ‘কাবুলিওয়ালা’; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গল্প নিয়ে ১৯৫৭ সালে ছবিটি তৈরি করেন। এ ছবি থেকেই তাঁর সর্বভারতীয় খ্যাতি আসে। বাংলা, হিন্দি ও ওড়িয়া ভাষায় ৪০টির মতো ছবি বানিয়েছেন। এর মধ্যে বেশ কিছু ছবি ছোটদের জন্য বানানো। ক্রমে তিনি বিশ্বপরিচিতি, দেশে ও বিদেশে বহু সম্মান ও পুরস্কার লাভ করতে থাকেন। ছোটদের জন্য তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবি—সবুজ দ্বীপের রাজা (১৯৭৯), আজ কা রবিনহুড (১৯৮৭), আজব গাঁয়ের আজব কথা (১৯৯৯), অনোখা মোতি (২০০০) প্রভৃতি। তাঁর বেশির ভাগ ছবির মধ্যেই থাকত কোনো না কোনো সামাজিক ঘটনার আলোকপাত। তাঁর অনেক ছবির গল্পই জীবন থেকে নেওয়া সত্যি ঘটনার আদলে তৈরি। এ ক্ষেত্রে ‘গল্প হলেও সত্যি’র (১৯৬৬) কথা বিশেষভাবে বলা যায়। শ্রেষ্ঠ ভারতীয় ছবির জন্য রাষ্ট্রপতির স্বর্ণপদক পেয়েছেন একাধিকবার, পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার এবং দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারও। ১৫ জানুয়ারি ২০০৯ সালে তিনি অনন্তের পথে পাড়ি দেন।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা