kalerkantho

সোমবার । ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ ফাল্গুন ১৪২৬। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০২০ আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম আসরের ফাইনালে চারবারের চ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী ভারতকে তিন উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই বিজয় আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের। এই সাফল্যে সমগ্র জাতি আনন্দিত ও গর্বিত। তবে প্রশংসায় আর পুরস্কারের বাড়াবাড়িতে এই তরুণ খেলোয়াড়রা যেন শুরুতেই থেমে না যান এবং অহংকারী হয়ে সিনিয়রদের যাতে অবজ্ঞা না করেন, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তরুণ খেলোয়াড়দের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এই সফলতাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, খেলাধুলায় বাংলাদেশের অনেক সাফল্য যেমন আছে, তেমনি ব্যর্থতাও রয়েছে। আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হলো সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হয় না। কাজেই সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। খেলাধুলার প্রতি আমাদের দেশের মানুষের আবেগ ও আগ্রহ খুব বেশি। যেকোনো সাফল্যে আমরা যেমন অত্যন্ত বেশি উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়ি, তেমনি ব্যর্থতায় একেবারেই হতাশ হয়ে যাই। যথাযথ প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম থাকা সত্ত্বেও খেলোয়াড়দের আবেগ, আগ্রহ ও দেশপ্রেমের কারণেই মাঝেমধ্যে সফলতা আসছে। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে হলে লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চা বাধ্যতামূলক করতে হবে। উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করতে হবে। সব ধরনের চাকরির ক্ষেত্রে নিয়োগের সময় খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার অভিজ্ঞতাকে মূল্যায়ন করতে হবে। ফুটবল, ক্রিকেটসহ প্রতিটি খেলার প্রতিই গুরুত্ব দিতে হবে। খেলোয়াড়দের উন্নত প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। খেলাধুলা ও ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের আরো দায়িত্বশীল হতে হবে। নতুন ক্রিকেটারদের জন্য প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।

বিপ্লব বিশ্বাস

ফরিদপুর।    

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা