kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

জনসচেতনতা জরুরি

২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গণতন্ত্র সূচকে আট ধাপ এগোনো আমার কাছে তেমন গুরুত্ব বহন করে না। দেশে গণতন্ত্র আছে, যা আমি-আপনি জানি। তবে পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের সঙ্গে তুলনা করলে আমাদের গণতন্ত্রের অবস্থা খুবই করুণ! এর জন্য যদি ঢালাওভাবে রাজনীতিকদের ওপর দোষ চাপাই, সেটি ঠিক হবে না। আমরা নিজেদের দোষ কখনো দেখি না। উন্নত বিশ্বে রাজনীতিকরা গণতন্ত্রচর্চায় যতটুকু এগিয়েছেন, এর জন্য রাজনীতিকদের ততটা অবদান নেই, যতটা অবদান রেখেছে জনগণ। কিভাবে? উন্নত বিশ্বের জনগণের মধ্যে ব্লাইন্ড সাপোর্টারদের ব্যাপারে ঘৃণা বোধ করা হয়। তারা যাচাই করে দেখে, কোন দল দেশের জন্য তথা জনগণের জন্য কতটুকু কাজ করল। ভবিষ্যতের জন্য রাজনৈতিক দল কী করতে চায়? দেশের জন্য রাজনৈতিক দলের ভিশন কী? রাজনৈতিক দলের বক্তব্যের সত্যতা কতটুকু। এসব মৌলিক বিষয় বিবেচনা করে জনগণ ভোট দেয়। উন্নত দেশের জনগণ নিজেদের কখনো ব্লাইন্ড সাপোর্টার ভাবে না। রাজনীতিকরা ভোটারদের মানসিকতা বিবেচনা করে গণতন্ত্রচর্চায় বাধ্য হন। তাঁরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, জনগণের প্রতি তাঁদের দেওয়া ওয়াদা পালনে ব্যর্থ হলে জনগণ আর ভোট দেবে না। একজন ভোটারও যেন তাঁদের কার্যকলাপে নাখোশ না হন। ঠিক উল্টো চিত্র আমাদের দেশে। এ দেশের ভোটাররা বিনা স্বার্থেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অন্ধ ভক্ত হয়ে বসে আছেন। দল যত অন্যায়ই করুক, সেটি যেন দেখার বিষয় নয়।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা