kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

গাম্বিয়া অনন্য দৃষ্টান্ত হয়েই থাকবে

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অনেক দেশই মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যা বা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করতে পারত। কিন্তু সবাই যখন আহা-উঁহু করে নিন্দা জানিয়ে বিষয়টি পার করে দিচ্ছিল, ঠিক তখনই গণহত্যার মামলা করে গাম্বিয়া সবাইকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করল। আন্তর্জাতিক আদালতে রায় কী হবে, সেটা পরের বিষয়। কিন্তু গণহত্যার মামলা হওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ। এখন অন্তত প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মিয়ানমারকে ‘গণহত্যাকারী’ বলা যাবে। আবুবকর প্রমাণ করে দিলেন, একজন ব্যক্তিই ইতিহাসে ব্যবধান গড়ে দিতে পারেন। দেশ হিসেবে গাম্বিয়া খুব বেশি প্রভাবশালী বা পরিচিত না। আফ্রিকার রাজনীতি বা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গাম্বিয়ার কোনো প্রভাবের কথা তেমন শোনা যায় না। তবে গাম্বিয়া মানবিকতার দিক থেকে এখন শীর্ষেই থাকবে। মানবাধিকার, সম-অধিকারের বিষয়ে এত দিন পশ্চিমাদেরই চ্যাম্পিয়ন ভাবা হতো। কিন্তু গাম্বিয়া সেই ধারণা পাল্টে দিল। দারিদ্র্য, ক্ষুদ্র দেশও যে মানবাধিকার, জন-অধিকারের পক্ষে কথা বলতে পারে, গাম্বিয়া তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। সারা বিশ্বের কথাই বলছে গাম্বিয়া, ঠিক যখন গাম্বিয়া স্বৈরশাসকের আলখাল্লা ঝেড়ে ফেলতে চাইছে। শেষ পর্যন্ত মামলার ফলাফল যা-ই হোক, গাম্বিয়াকে সবাই মনে রাখবে। নির্যাতিতের পক্ষে, নিপীড়িতের সঙ্গে দাঁড়ানোর সুযোগ সময় করে দেয়। যাঁরা ঝুঁকি নিয়ে, দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে যান, ইতিহাসের পাতায় তাঁদেরই নাম লেখা হয়।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা