kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

আমরা হুজুগে বাঙালি

২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হুজুগে আমরা কখনো কখনো বেহুঁশ হচ্ছি, আবার কখনো কখনো খেসারত দিচ্ছি। বাজার করতে গেলে বেশির ভাগ সময় এক কেজি করে পেঁয়াজ কেনা হয়। সেদিনও দোকানিকে এক কেজি পেঁয়াজ দিতে বলায় সে বলল, ভাই একটু বেশি করে নেন। ইন্ডিয়া পেঁয়াজ দেবে না, দাম বেড়ে যাবে। আমি বললাম, ১৫ টাকার পেঁয়াজ এখন ৩৫ টাকায় কিনছি আর কত বাড়বে? বেচারা দোকানদারের কথা না শুনে এক কেজি পেঁয়াজ কিনি। পাঁচ দিন পরে দোকানি বলল, ভাই আজ পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি। আগের মতোই এক কেজি নিয়ে সরে পড়লাম। কয়েক দিন পরে সকালে বাজারে গিয়ে দেখি পেঁয়াজের ঝাঁজ ২০০ টাকা ছুঁয়েছে। খবরটি মনে হয় প্রশাসনের কাছে সবে পৌঁছেছে। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাকিম এসে কিছু খুচরা বিক্রেতাকে জরিমানা করেছেন। তবে সুবিধা ছিল যতক্ষণ ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাকিম ছিলেন ততক্ষণ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল কেজিতে ৫০ টাকা কমে। সুচতুর ব্যবসায়ীরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাকিম চলে গেলে ১০০ টাকা বাড়িয়ে দেন। পেঁয়াজ তো সব সময় রান্নাঘরে গৃহিণীকে কাঁদায়, এখন গৃহকর্তাকে কাঁদাচ্ছে। এখনো কি আমরা থাকব ‘হুজুগে বাঙালি’ হয়ে? নিশ্চয়ই না। আসুন আমরা সবাই সজাগ হই।

এম আর মাসুদ

ঝিকরগাছা, যশোর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা