kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

ইন্ধনদাতাদের শাস্তি দেওয়া উচিত

২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রবাদ আছে, গুজব বাতাসের আগে ধাবিত হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বিদ্যুতের মতো প্রবল গতি লাভ করে। গুজব অপপ্রচারকে উৎসাহিত করে এবং বেশির ভাগ মানুষ গুজবের মতো অপপ্রচারকে যাচাই-বাছাই না করে বিশ্বাস করে বসে। মুহূর্তের মধ্যে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। তখন সামাজিক অস্থিরতা ও মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বৃদ্ধি পায়। তা ছাড়া অপপ্রচারের কল্পকাহিনি গুজব ছড়াতে প্রবল সহযোগিতা করে এবং গুজব কোনো কোনো সময় সমাজে বড় ধরনের অশান্তি সৃষ্টি করে। অশিক্ষিত লোকজন এ সময় অপপ্রচার যাচাই করে না। গুজবে কান দিয়ে বেশির ভাগ মানুষ বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে। ফলে এসব গুজব জানমালের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হতে পারে। সতর্ক থাকা জরুরি। সঙ্গে যোগ হয়েছিল পরিবহন শ্রমিকদের অযৌক্তিক দাবিদাওয়া সংবলিত ধর্মঘট। এসবকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে ব্যস্ত থাকে এবং তারা নিজেদের ইচ্ছামতো ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত থাকে। যারা এ ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে ইন্ধন জোগায় বা লিপ্ত থাকে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুন।

মো. জিল্লুর রহমান

সতিশ সরকার রোড, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা