kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিন

১৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১১ মিনিটে



পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিন

চরম নৈরাজ্য পেঁয়াজের বাজারে। দাম বাড়তে বাড়তে ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করার পর থেকেই বাজারের লাগাম ধরে রাখা যাচ্ছে না। ভোক্তারা কেউ দুষছে সরকারকে; কেউ ব্যবসায়ীদের। উঠে আসছে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কথাও। যেকোনো উপায়ে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। টেলিফোন ও ই-মেইলে পাওয়া কালের কণ্ঠ’র পাঠকদের মতামত এখানে তুলে ধরা হলো

 

►    পেঁয়াজ ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে। ব্যবসায়ীদের এমন কারসাজি বিশ্বে বিরল। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যর্থ। বিশ্ববাজারে পেঁয়াজের দাম সহনশীল, দেশেও মজুদ পর্যাপ্ত, তাহলে কাদের প্ররোচনায় দাম লাগামহীন হয়েছে সরকারকে খুঁজে বের করতে হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের অবান্তর কথা বলা বন্ধ করতে হবে। অসাধু পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পরের মুখাপেক্ষী না হয়ে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানো হোক, কৃষকদের ন্যায্য মূল্য দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

আসাদুল্লাহ মুক্তা

মহেশপুর, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

►    নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি ও হ্রাস দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। বর্তমান সরকারের কৃতিত্বকে ম্লান করে দেওয়ার জন্য পেঁয়াজের মতো দ্রব্যসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধিই যথেষ্ট। এরই মধ্যে সাধারণ জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আমাদের স্মরণে রাখতে হবে স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় বড় কৃতিত্ব ম্লান করে দেওয়া হয়েছিল লবণ ও মরিচের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে, লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি করে।  সরকার কোনো কিছুর মূল্যবৃদ্ধি বা স্বল্পতা দেখা দিলে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় না এনে কিংবা ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে সেসবের জোগান না দিয়ে নিজ নিয়ন্ত্রণে সীমিত পরিসরে সেসব ন্যায্য মূল্যে বিতরণের ব্যবস্থা করছে। এ সুবিধা যে ১ শতাংশ লোকের মধ্যেও পৌঁছে না বা চাহিদার তুলনায় নগণ্য, তা সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা বুঝতে অক্ষম। পেঁয়াজের মজুদ পর্যাপ্ত আছে।  মজুদদার ও ফড়িয়ারা সংকট সৃষ্টি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করে রেখেছেন। পরিস্থিতি মোকাবেলা না করলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। 

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।

 

►    পেঁয়াজ নিয়ে যারা সিন্ডিকেট করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দাম বাড়ানোর জন্য মজুদ করা যাবে না। আমদানি করা পেঁয়াজ দ্রুত খালাস করতে হবে। অব্যবস্থাপনা তৈরি করলে ব্যবস্থা নিতে হবে। যতটা সম্ভব স্থানীয় চাহিদা মেটাতে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে হবে। টিসিবির সেবা ও বাজার বাড়াতে হবে।

জাহাঙ্গীর কবির পলাশ

শ্রীধরপুর, মুন্সীগঞ্জ।

 

►    বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আন্তরিক হতে হবে। দুর্নীতি ও দায়িত্বহীন কথা বলা বন্ধ করে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। টিসিবির সক্রিয়তা বাড়াতে হবে।

মো. তৈয়ব আলী

ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।

 

►    পেঁয়াজের ঝাঁজ বাস্তবে বোঝা যায় এটি কাটলে। কিন্তু এখন এর ঝাঁজ কাটলে নয়, কিনতে গেলে বোঝা যায়। এর দাম লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে। সব মহলে এখন পেঁয়াজের দাম নিয়ে আলোচনা। পেঁয়াজের দাম এখন ২০০ টাকা। শুধু সরকারের মন্ত্রী মহোদয়ের মুখে শোনা যায় পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল আছে। সর্বোচ্চ মহল থেকে এমন বাণী শোনার পর সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। যদি সরকারের মাথাব্যথা থাকত তাহলে এক দিনেই বাজার স্থিতিশীল করে ফেলত। অথচ দাম প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। সিন্ডিকেটবাজ ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা সরকারকে নয়, বিপদে ফেলছেন সাধারণ মানুষকে। সরকারের অদক্ষতাই পেঁয়াজের দাম বাড়ার মূল কারণ। তাই সরকারের উচিত সিন্ডিকেটবাজ ব্যবসায়ীদের পাকড়াও করে কঠিন শাস্তি দেওয়া।

মো. আজিনুর রহমান লিমন

আছানধনী মিয়াপাড়া, ডিমলা, নীলফামারী।

 

►    পেঁয়াজ ছাড়াও তরকারি রান্না করা যায়। যত দিন দাম না কমবে তত দিন পেঁয়াজ না কেনাই ভালো। তাহলে অসাধু ব্যবসায়ীরা পরিস্থিতি বুঝতে সক্ষম হবেন। মজুদে পচন ধরলে তাদের  হুঁশ ফিরবে বলে মনে হয়।

ডা. মো. মোরশেদ আলম 

মধ্য মৈশাদী, চাঁদপুর।

 

►    সাধারণ আর সব মানুষের মতো আমিও ভীষণ ভোগান্তি পোহাচ্ছি। পেঁয়াজ একটি অতি প্রয়োজনীয় জিনিস। সিন্ডিকেট করে ব্যবসায়ীরা যে ভোগান্তি বাড়াচ্ছেন, তাতে সরকার কেন যে চুপ বুঝতে পারছি না। যে পণ্য আমরা ৩০-৪০ টাকায় খেয়ে এলাম সারা বছর, আজ সেটা খেতে হচ্ছে ২২০ টাকায়। এটা কি মগের মুল্লুক? সহনশীল দাম নির্ধারণ করে বাজারে মনিটরিং টিম বসানো উচিত। কোনো ব্যবসায়ী বেশি দামে বিক্রি করলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

সাবিনা সিদ্দিকী শিবা

ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।

 

►    পেঁয়াজের বাজারের ঊর্ধ্বমুখিতার কারণ ব্যবসায়ীদের লোভ। রাঘব বোয়াল ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে প্রান্তিক ব্যবসায়ী—সবাই সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজকে মহার্ঘ্য করে তুলেছেন। সরকার এ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। সরকারের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করা উচিত।

ম. মুমিনুর  রহমান

শমশেরনগর, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।

 

►     ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট, আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রক সিন্ডিকেট ও প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারসাজির কারণে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর যথেষ্টসংখ্যক সহযোগী ও উপদেষ্টা থাকা সত্ত্বেও এ ব্যর্থতার পেছনে কী কারণ তা মন্ত্রী মহোদয়ই ভালো বোঝেন। সরকারকে হেয় করার ষড়যন্ত্র এটি। শুদ্ধি অভিযানকে প্রতিহত করার কূটকৌশলের অংশ হিসেবে পেঁয়াজের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে মনে করি। সরকার ও প্রশাসনযন্ত্র দৃঢ় পদক্ষেপ নিলে পেঁয়াজের মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পারে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী জনগণের পক্ষে না ব্যবসায়ীদের পক্ষে—তা বোঝা যাচ্ছে না। টিসিবির মাধ্যমে বাজারভেদে দুইয়ের বেশি ন্যায্য মূল্যের দোকানে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করলে দাম কমবে বলে মনে করি।

এইচ কে নাথ

পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

►    পেঁয়াজ ডাবল সেঞ্চুরি পার করেছে। সাধারণ মানুষসহ সবার জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্যরা। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সবই যদি প্রধানমন্ত্রী নিয়ন্ত্রণ করেন তাহলে অন্যান্য মন্ত্রী থাকার কী প্রয়োজন? পেঁয়াজের যথেষ্ট মজুদ থাকলেও দাম লাগামহীন—এর পেছনে অসাধু সিন্ডিকেট কাজ করছে। মজুদকারী ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিল করা, মজুদ করা পণ্য সরকারি উদ্যোগে বিক্রয় করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালত নয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ, দুর্নীতি দমন কমিশন, সরকারি কৃষিপণ্য বিপণন সংস্থাসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সদস্যদের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং জরুরি।

আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভ

মিরাপাড়া, রিকাবী বাজার, মুন্সীগঞ্জ।

 

 

►    সিন্ডিকেট যে কতটা শক্তিশালী, বারবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আর নীরবে জানিয়ে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা কেউ রাখে না।  বাংলাদেশের আবহাওয়া পেঁয়াজ ফলনে সহায়ক। পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হলেও সেই ফসলের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। কৃষক তার শ্রমের বিনিময়ে পয়সা পায় না, নিরুৎসাহ হয়ে পড়ে পেঁয়াজের চাষে। ধূর্ত ব্যবসায়ীরা জানেন কৃষকের পক্ষে পেঁয়াজ বেশি দিন রাখা সম্ভব হবে না। যেহেতু ওদের অর্থের প্রয়োজন, বাধ্য হয়ে নামমাত্র মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হয় চাষিরা। পেঁয়াজের মৌসুম শুরু হলে সরকারের উচিত চাষিকে ন্যায্য মূল্য দিয়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং মজুদ করা; কারণ শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন ও কার্তিক মাসে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পায়। এ ব্যবস্থা নিলে সমস্যার সমাধান হবে।

নিমাই কৃষ্ণ সেন

বাগেরহাট।

 

►    পেঁয়াজের এই সংকটে সরকারকেই উদ্যোগ ও ব্যবস্থা নিতে হবে। জরুরিভাবে আরো পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে। কোনো সময়ক্ষেপণ নয়, সরাসরি উদ্যোগ গ্রহণ করুন।

শাহীন মোল্লা

মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।

 

►    পেঁয়াজের দাম আজ নাগালের বাইরে চলে গেছে। চাল, ডাল ও শাক-সবজির দাম দিন দিন বাড়ছেই। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বহু বছর ধরে আছে কৃষিতে উন্নয়নের দায়-দায়িত্ব নিয়ে। তারা জনগণের চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে পারল না কেন?  পেঁয়াজ সংরক্ষণ পদ্ধতি চালু করতে পারল না কেন? পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি করা দরকার। কৃষককে ভরসা দেওয়া দরকার।

লিয়াকত হোসেন খোকন

ঢাকা।    

 

►    পেঁয়াজের কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে। দাম বাড়ালে ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। দাম যেকোনো মূল্যে কমাতে হবে।

কামরুজ্জামান

কলাবাগান, ঝিনাইদহ।

 

►    পেঁয়াজের দাম লাগামহীনভাবে বেড়েই চলছে। সাধারণ মানুষের আয়ত্ত ও ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে পেঁয়াজ কেনার সামর্থ্য। এরই মধ্যে এর দাম ২২০ টাকা অতিক্রম করেছে; যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থা আরো দীর্ঘায়িত হলে দেশে পেঁয়াজ নিয়ে এক অস্থিতিশীল ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। এখন ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই। প্রশাসনের উচিত ৬৪টি জেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সংকটের হোতাদের চিহ্নিত করে পেঁয়াজ সমস্যার আশু সমাধান করা। খুচরা ও পাইকারি মূল্য নির্ধারণ করা, সাময়িক আমদানি বৃদ্ধি করা, অপরাধীদের সাজার পরিধি সম্প্রসারিত করা ও কঠোর অভিযান অব্যাহত রাখা।

মো. ইলিয়াছ হোসেন

খটখটিয়া, মহানগর, রংপুর।                 

 

►    পেঁয়াজের দাম বাড়ছেই, অথচ মজুদ যথেষ্ট। সরকার নির্বাক। বাজার নিয়ন্ত্রণে নেই। মজুদ থেকে পেঁয়াজ দ্রুত বাজারে সরবরাহ করতে হবে। কিছু মুনাফালোভী ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা সিন্ডিকেট করছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

মো. জামরুল ইসলাম

দক্ষিণগাঁও, সবুজবাগ, ঢাকা।

 

►    খুব দুশ্চিন্তায় আছি। পেঁয়াজের দাম ২২০ টাকা কেজিতে উঠেছে। শ্রমিক, সাধারণ মানুষ যাতে ভালো থাকে সরকার সেদিকে মনোযোগ দিক। বাজার মনিটরিং করুক। মজুদ ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

রাশেদুল ইসলাম

রূপসী বাজার, ভাঙ্গুড়া, পাবনা।

 

►    দেশে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধেও শুদ্ধি অভিযানে নামতে হবে। সরকারকে ন্যায্য মূল্যে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ বাজারে সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে।

কুমারেশ চন্দ্র

হৃদয়পুর, মাগুরা।

 

►    পেঁয়াজ ছাড়া খাবার পূর্ণ হয় না। ভারত, মিয়ানমার, মিসর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। দেশে মজুদও প্রচুর। তার পরও দাম লাগামহীন। পেঁয়াজ সাধারণ মানুষের জন্য দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। তাহলে কি পেঁয়াজ নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে? কারা করছে? যারা মজুদ করে বাজার অস্থির করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

 

►    অসাধু সিন্ডিকেটবাজ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। পেঁয়াজ আমদানির বাধা দূর করতে হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী শুল্ক পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। বিভিন্ন পেঁয়াজ গুদামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালাতে হবে। কৃষকরা যাতে সারা বছর পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারে তার জন্য সরকারি-বেসরকারি কোল্ড স্টোরেজ বাড়াতে হবে। কৃষকরা যাতে ন্যায্য মূল্য পায় সেই ব্যবস্থা করতে হবে। টিসিবির কার্যক্রম বাড়াতে হবে।

মো. আবু বকর সিদ্দিক আজিজ

নওদাপাড়া, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।

 

►    সাময়িক কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে যারা মুনাফা করে তাদের ওপর নজর রাখতে হবে। তাদের গুদামে তল্লাশি করতে হবে। খোলাবাজারে পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্য টিসিবির মাধ্যমে বিতরণের ব্যবস্থা করলে সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হবে। সংকট মোকাবেলায় আমদানির নতুন বাজার সন্ধানে বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজে সমন্বয় দরকার।

হুমায়ুন কবীর বাবু

দক্ষিণ বানিয়াগাতি, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ।

 

►    ২০০ টাকা কেজির ওপরে দাম উঠেছে পেঁয়াজের। সেপ্টেম্বর থেকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ রাখার পর থেকে সরকার বেশ কিছু উদ্যোগের কথা বললেও এর দাম কিছুতেই পড়ছে না। মজুদদাররাও কারসাজি করছে। কারওয়ান বাজার কাঁচামাল ক্ষুদ্র আড়তদার ব্যবসায়ী সমিতির অভিযোগ—ইচ্ছা করে বাজারে কম পেঁয়াজ ছাড়া হচ্ছে। এক ধরনের সিন্ডিকেটবাজি হচ্ছে। সরকার যদি নিজের উদ্যোগে ব্যবস্থা নিত তাহলে এ অবস্থা হতো না। মিয়ানমার ও চীন থেকে আনা কিছু পেঁয়াজ তারা পাচ্ছে, কিন্তু তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। এ ছাড়া নতুন মৌসুমের দেশি পেঁয়াজ এখনো বাজারে আসতে শুরু করেনি। পেঁয়াজ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সরকারের হাতে। যদি উৎপাদন বাড়ানো যায় তাহলে সাত-আট লাখ টন অতিরিক্ত পেঁয়াজ উৎপাদন কোনো সমস্যা নয়।

এ কে এম আলমগীর

ও আর নিজাম রোড, চট্টগ্রাম।

 

►    পেঁয়াজের দাম বেড়েই যাচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায় আছে বলে মনে করি। অল্প কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম বাড়াচ্ছেন। এর বিরুদ্ধে মনিটরিং করে ব্যবস্থা নিতে হবে।

নাদিম খান

ভাইজোড়া, পিরোজপুর।

 

►    পেঁয়াজের দাম সব রেকর্ড ভেঙেছে। তাই ন্যায্য মূল্যে পেঁয়াজ কিনতে ভিড় করছে সাধারণ মানুষ। দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করে ৪৫ টাকায় কিনছে টিসিবির পেঁয়াজ। রাজধানীতে পেঁয়াজ কিনতে মানুষের লম্বা সারি চোখে পড়ছে। প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ালে মিলছে পেঁয়াজ। তবে পেঁয়াজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ক্রেতারা। বাজারে পেঁয়াজের প্রচুর সরবরাহ রয়েছে। তাহলে কেন দাম বাড়ছে? অন্যদিকে বাংলাদেশের কৃষক পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য পায় না। প্রয়োজনীয় সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রায় ৩০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। উৎপাদন ও সংরক্ষণ সহায়ক ব্যবস্থা জরুরি ভিত্তিতে নিতে হবে।

শুভ্র  ঘোষ 

নতুন বাজার, কলকলিয়াপাড়া, মাগুরা।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা