kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

শিক্ষাঙ্গনে দুর্নীতি নয়

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান সংকটের নেপথ্য কারণ অনুসন্ধানে দেখা যায় এর পেছনে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের নিয়োগ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প। এ দুটির সঙ্গেই অর্থের যোগসূত্র রয়েছে। তাই এ দুটি বিষয় যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতামুক্ত করা হয়, তাহলে কোনো সংকট তৈরি হবে না বলে আমাদের বিশ্বাস। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। তবে বর্তমানে সীমাহীন আর্থিক, প্রশাসনিক ও একাডেমিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও সংশ্লিষ্টরা। সরকারি বিধি-বিধান না মেনে অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে অনেকেই আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সৃষ্টি করেছেন সীমাহীন নৈরাজ্য। বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন আছে, কিন্তু কোনো কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে না। দুর্নীতি দমন কমিশন তো স্বাধীন। যদি কেউ দুর্নীতি করে, তাহলে সাক্ষী-প্রমাণে বিচার হবে। কিন্তু দেখা যায় অপরাধ করেও বিচারে খালাস পেয়ে যায়। তাই সেই সব ব্যক্তি আরো বেশি অপরাধ করার সাহস পায়। বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশনের আরো ভালোভাবে কাজ করতে হবে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্ররা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। কিন্তু তাঁরা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করতে এসে দুর্নীতি শেখেন, তাহলে ভবিষ্যতে দেশ আরো দুর্নীতির রসাতলে চলে যাবে। এ থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে। যদি না হয়, তাহলে শিক্ষাঙ্গন আরো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে।

মাহফুজুর রহমান খান

চিনিতোলা, মেলান্দহ, জামালপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা