kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিন

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে উপাচার্য নিয়োগ করা হয়, তখন একজন নারী হিসেবে সবার মতো আমিও এটাকে স্বাগত জানিয়েছিলাম। একজন নারী একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পদে নিয়োগ পাওয়া ছিল আমাদের নারীদের ক্ষমতায়নেরই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কিন্তু আজ সেই ঔজ্জ্বল্য ম্লান হয়েছে অধ্যাপক ফারজানার নিজের অপরিণামদর্শিতা ও একদেশদর্শিতার কারণেই। দেশের রাজনীতি যেমন প্রবল প্রতিহিংসাপরায়ণ, তেমনি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও রাজনৈতিক কলহমুক্ত নয়। শুধু ভিন্নমতের দ্বন্দ্ব্ব আছে তা-ই নয়, এক মতের মধ্যেও আছে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব্ব, ক্ষুদ্র স্বার্থের খেয়োখেয়ি। উপাচার্য পদে যাঁকেই নিয়োগ দেওয়া হোক না কেন, তাঁর পক্ষে-বিপক্ষেও কেউ না কেউ থাকবেনই। আমাদের দেশে এখন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। একজন মানুষ রাজনৈতিক পরিচয়ে নিরপেক্ষ হবেন—এমন আশা করাও ঠিক নয়। তবে তিনি যেন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হন, আজ্ঞাবহ না হন। কেউ যাতে পরিস্থিতির সুযোগ গ্রহণ করতে না পারে, নিশ্চিত করার দায়িত্বও সরকারের।

বিলকিছ আক্তার

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা