kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন চাই

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পরিস্থিতি সামাল দিতে অক্ষমতা, শিক্ষকদের অতিমাত্রায় রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা, ছাত্রসংগঠনগুলোর রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি, বুড়োদের ছাত্ররাজনীতি, অপরাধ ঘটলে বিচার না হওয়া বা বিচারে দীর্ঘসূত্রতা—মোটাদাগে এগুলো হলো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতার কারণ। বলা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বাধীন। অথচ তার পরও তারা সুষ্ঠুভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে ব্যর্থ হচ্ছে। যা সত্যিই দুঃখজনক। সরকার থেকে তারা কোটি কোটি টাকা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য সাহায্য পায়। এই টাকার সদ্ব্যবহার হয় না। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থেকে ভিসিসহ শিক্ষকরা উেকাচ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতায় সেশনজট বাড়ে। পাঁচ বছরের কোর্স শেষ করতে সাত বছর লাগে। শিক্ষাব্যয় বাড়ে। অথচ কেউ ভাবেন না। শিক্ষকদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ বন্ধ, ছাত্রসংগঠনগুলোকে রাজনৈতিক দলের প্রশ্রয় বন্ধ করা গেলে শিক্ষাঙ্গনে শান্তির সুবাতাস বইবে। এখন তো শিক্ষাঙ্গনে সাংস্কৃতিক চর্চাও সেভাবে হয় না। পড়াশোনার জায়গায় মিছিল-মিটিং হচ্ছে। ক্লাস নয়। ছাত্র শিক্ষককে মারছেন, শিক্ষক ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করছেন, অপছন্দের ছাত্রদের পছন্দের ছাত্রদের দিয়ে মার খাওয়াচ্ছেন। এসব নোংরামির দ্রুত অবসান দরকার।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

বানারীপাড়া, বরিশাল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা