kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চাই সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কয়েক বছর আগে ঐশীর ঘটনাটি আমাদের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল। মাদকাসক্ত ঐশী মা-বাবাকে হত্যা করে আতঙ্কিত করেছিল গোটা দেশকে। বিবেক বিধ্বস্ত হয়েছিল আমাদের। মাদকাসক্তির কুফল কতটা ভয়াবহ তা ওই ঘটনা থেকেই উপলব্ধি করতে পারি আমরা। মাদকের আগ্রাসনের সবচেয়ে বড় শিকার যুবসমাজ। যুবসমাজ যদি মাদকে আসক্ত হয়, নানা অবক্ষয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে, তবে দেশের উন্নয়ন-সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত হতে পারে না। জাতির ভবিষ্যত্ সমস্যাগ্রস্ত হতে বাধ্য। বলা হয়ে থাকে, মাদকাসক্তদের প্রায় ৭০ শতাংশের বয়স ১৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। ২০১৫ সালে ছিল ৬৫ শতাংশের মতো। সাগরপথে ও সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট হয়ে মাদকসামগ্রী দেশে ঢুকছে। ইয়াবা-ফেনসিডিল থেকে শুরু করে এমন কোনো মাদক নেই যা দেশে ঢুকছে না। আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালানিচক্র বাংলাদেশকে ট্রানজিট কান্ট্রি হিসেবে ব্যবহার করছে অনেক দিন ধরে। এ চক্রের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। সরকার ও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা অপকর্ম করে যাচ্ছে। মাদকাসক্তির বিস্তার রোধ করতে হলে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে। সরকার ও প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে। মাদকের চোরাকারবারে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। গণসচেতনতা জরুরি।

মাজহারুল ইসলাম লালন

নকলা, শেরপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা