kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রভাব বিস্তারের রশিটা টেনে নিতে হবে

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদক নিয়ে, মাদকের বিস্তার লাভ নিয়ে এ পর্যন্ত আলোচনা-সমালোচনা, প্রশাসনের পদক্ষেপ এবং কী করে এর বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া যায়—সব পথ গ্রহণ করা সত্ত্বেও মাদক চোরাচালান অব্যাহত আছে। কিছুদিন হাঁকডাক দেওয়া হলে মাদক চোরাচালান বন্ধ থাকে, আবার কিছুদিন যেতে না যেতেই মাদক বিস্তার লাভ করে। এর মূল প্রশ্রয়দাতা আর প্রতাপশালীরা সব সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। অথচ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করছে ভবিষ্যত্ প্রজন্মকে। প্রশাসনের একটি অংশ এবং রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী ছত্রচ্ছায়া ছাড়া মাদকদ্রব্য বিস্তার লাভ করার কোনো সুযোগ নেই। রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি যদি স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি তার প্রভাব খাটায়, ওই রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে প্রশাসনযন্ত্রের যৌক্তিক প্রতিবাদ করতে হবে। মদের চোরাচালানের রশি কার হাতে? এটা রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের অজানা থাকার কথা নয়। তাহলে দেশের অভ্যন্তরে এখন পর্যন্ত মদের চোরাচালান কিভাবে চলে? মাদকদ্রব্য সরবরাহে নতুন করে যোগ হলো আরেকটি গোষ্ঠী আর তার পরিচয় হলো রোহিঙ্গা। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত থেকে আসছে ইয়াবা, মাঝেমধ্যে প্রতিবেশী ভারত থেকে আসছে ফেনসিডিল, সীমান্তরক্ষী থাকতে এগুলো দেশের অভ্যন্তরে কী করে প্রবেশ করে? শুধু ক্রসফায়ার দিয়ে সম্ভব নয়, যার হাতে রশিটা ধরা আছে সেই হাত থেকে রশিটা টেনে নিতে হবে।

নিমাই কৃষ্ণ সেন

বাগেরহাট।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা