kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মাদক জোগানদাতার সাজা হোক

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যেকোনো পণ্যেরই দুটি পক্ষ থাকে—সরবরাহকারী এবং ভোক্তা। মাদকও তাই। এরও সরবরাহকারী আছে, আছে ভোক্তা। দেশে মাদকবিরোধী চিরুনি অভিযান হয়ে গেল বেশ কয়েক মাস আগে। বহু লোক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারাও গেল। এখনো অভিযান চলছে কমবেশি। এর পরও দেশে মাদকের বিস্তার রোধ করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কথা হচ্ছে, মাদক কী এমন কোনো ছোটখাটো সমস্যা, যা একটু-আধটু দেশে থেকে গেলেও কোনো সমস্যা নেই? না, বিষয়টি তেমন নয়। আজ যার বিড়ি-সিগারেট দিয়ে মাদকে হাতেখড়ি, পরশু সে-ই ইয়াবার তালাশে বেরোবে। মাদকসেবীদের সবশেষ পরিণাম অশুভ। প্রকারান্তরে এটি দেশের জন্য অশুভ, কারণ জনগণ নিয়েই দেশ; আর জনগণেরই একটা অংশ মাদকাসক্ত। মাদক এমন এক সমস্যা, যা দেশ থেকে নির্মূল করতেই হবে। এখন মাদকসংশ্লিষ্ট এক পক্ষ, মানে সরবরাহকারীর বিরুদ্ধে আমার মতে সর্বোচ্চ আইনি কঠোরতা প্রয়োগ করার সময় এসেছে। তারা আর সঠিক পথে ফিরবে না বা ফিরতে চাইবে না। কারণ এটা তাদের আয়ের রাস্তা। তাই তাদের কঠোর শাস্তির বিকল্প নেই। আর যারা মাদকের গ্রাহক, বিশেষত তরুণসমাজ, এদের পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে মাদক থেকে দূরে রাখার পাশাপাশি আরেকটি কার্যকর উপায়ও অবলম্বন করা যেতে পারে। তা হচ্ছে, শুক্রবার মসজিদে যায় না, দেশে এমন মুসলিম তরুণের সংখ্যা অত্যল্প। মসজিদের খতিব সাহেবরা যেহেতু ধর্মীয় বিষয়-আশয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক বিষয়েও বয়ান ও আলোচনা করে থাকেন, আর মাদকও যেহেতু একটি সামাজিক সমস্যা, তাই ধারাবাহিকভাবে কোরআন-হাদিসের আলোকেই মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে তাঁরা বয়ান করতে পারেন। এতে সমস্যার কিছুটা হলেও উন্নতি হবে। এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্টরা উপজেলাভিত্তিক খতিব সাহেবদের সঙ্গে বসে এ ব্যাপারে একটি কর্মকৌশল ঠিক করে নিতে পারেন।

মুফতি আব্দুল্লাহ্ আল হাদী

ব্যাংক কলোনি, সাভার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা