kalerkantho

ঈদ যাত্রা নিরাপদ নির্বিঘ্ন করতে করণীয়

১০ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মহাসড়কগুলোর অবস্থা শোচনীয়। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অন্যতম প্রধান যাতায়াত মাধ্যম লঞ্চ। লঞ্চের কেবিন ও ডেকের ভাড়া নিয়ে কালোবাজারি চলে; অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। কেবিন থাকলেও বলা হয় নেই। এসবের বিরুদ্ধে কার্যকর কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানা নেই। রাস্তার মধ্যে গাড়ি পার্কিং বন্ধ করতে হবে। মালবাহী ট্রাক, লরি কমপক্ষে ১০ দিন আগে থেকে বন্ধ করতে হবে। ঈদের সময় যেন মহাসড়কে হাট না বসে। মহাসড়কে হাট-বাজার তীব্র যানজট সৃষ্টির কারণ। একাধিক উদ্ধারকারী টিম রেডি রাখতে হবে। যেন কোথাও যানবাহন বিকল হলে ব্যবস্থা নিতে পারে। দুর্ঘটনা হলে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা চালাতে হবে; টিকিট কালোবাজারিদের পাকড়াও করবে। সদরঘাটে টিকিট কাউন্টারের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। ঈদের সময়টাতে বুড়িগঙ্গায় ছোট নৌকা চলাচল সীমিত করা যেতে পারে। এই নৌকাগুলো প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এদের কারণে লঞ্চ চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। লঞ্চঘাট ও বাস স্টেশনগুলোয় ব্যাপক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। মহাসড়কে টহল পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে হবে। যাত্রা নিরাপদ করার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, আমাদেরও। সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়ই শুধু সম্ভব হতে পারে নির্বিঘ্নে গ্রামের বাড়ি পৌঁছানো।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

বানারীপাড়া, বরিশাল।

 

মন্তব্য