kalerkantho

সংশ্লিষ্ট সবাই দায়িত্বশীল হোক

১০ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈদের সময় ঢাকা থেকে অনেক মানুষ বিভিন্ন জেলায় বাস, ট্রেন, লঞ্চ ও বিমানে করে যাতায়াত করে। তুলনামূলকভাবে কম যাত্রী ও নিরাপত্তা ইত্যাদি কারণে বিমান যাত্রার কষ্টের কথা সেভাবে মিডিয়ায় আসে না। কিন্তু বিমানেও দুর্ভোগ পোহাতে হয় ফ্লাইট ডিলে নিয়ে, অতিরিক্ত ভাড়া ও সার্ভিস নিয়ে। উড়তে থাকা অবস্থায় বিমানের এসি কাজ করে না, মানুষের দম বন্ধ হয়ে আসে—এমন অবস্থাও হয়। বাসে ভাড়া বেশি, রাস্তায় জ্যামে মানুষের মরে যাওয়ার অবস্থা ও সড়ক দুর্ঘটনা—এসব হরহামেশা হয়। আগের দিনের ট্রেন পরের দিন আসে এবং রেলস্টেশনে বসে থাকতে থাকতে কাহিল হয়ে যায় মানুষ। টিকিটও মেলে না অনেক সময়। অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে লঞ্চডুবির ঘটনাও কম নয়। এসব হচ্ছে দায়িত্ব পালনে অনীহা ও অসহযোগিতা এবং অসততার কারণে। হাইওয়ে পুলিশ, নৌ পুলিশের দেখা মেলে মাঝেমধ্যে। বিমানে, বাসে, ট্রেনে ও লঞ্চে যাত্রীদের সুবিধা-অসুবিধা দেখার দায়িত্ব ট্রান্সপোর্ট সংশ্লিষ্টদের। মানুষকে কষ্টে ফেলে অর্থ উপার্জন করে। ফলে মানুষের যাত্রা হয়ে ওঠে অনিরাপদ, ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টদায়ক। ট্রাফিক ব্যবস্থা যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করলে রাস্তায় এত জ্যামের সৃষ্টি হয় না। অতিরিক্ত যাত্রী বহনের বিষয়ে আইন প্রয়োগ করা হলে লঞ্চডুবির ঘটনাও ঘটে না। কড়া আদেশ থাকলে ট্রেন শিডিউলে বিপর্যয়ও হয় না। সংশ্লিষ্ট সবাই দায়িত্বশীল হলে ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও আনন্দময় হয়।

আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ যুবায়ের

কল্যাণপুর, ঢাকা।

 

মন্তব্য