kalerkantho

সচেতনতা নিরাপত্তার প্রথম ধাপ

১০ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



বন্যায় দেশের অনেক স্থানে সড়ক-মহাসড়ক নষ্ট হয়েছে। সে জন্য এবারের ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে প্রথমেই প্রয়োজন দ্রুত সড়ক মেরামতের ব্যবস্থা করা। বাড়িমুখো মানুষদের বিড়ম্বনার শেষ নেই, যানবাহনের টিকিট যেন সোনার হরিণ—তা ট্রেনের বা বাসের টিকিটই হোক। যেমন—যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী রাস্তা দ্রুত মেরামত করা, ছিনতাই বন্ধ করা, ট্রেন এবং বাসের টিকিট কালোবাজারি রোধ করা, কাউন্টারে উচ্চমূল্যে টিকিট বিক্রি রোধ করা, ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগি বাড়ানো, দূরপাল্লায় অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা করা, স্পেশাল লঞ্চের ব্যবস্থা করা, সড়ক যানজটমুক্ত রাখা। ড্রাইভাররা যেন সুশৃঙ্খলভাবে যানবাহন পরিচালনা করে তার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ ও হাইওয়ে পুলিশকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ব্যবস্থা করতে হবে। ঘষামাজা করা পুরনো বাস ও লঞ্চ যেন চালু করতে না পারে। যেখানে-সেখানে ব্যক্তিগত গাড়ি রেখে সড়কের জায়গা দখল রোধ করতে হবে। নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া বাস থামানো রোধ করতে হবে। নিয়ন্ত্রণহীন ছোট গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া

লাকসাম, কুমিল্লা।

 

মন্তব্য