kalerkantho

ঈদ যাত্রায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে

১০ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শত বিড়ম্বনা সহ্য করেও ঈদে বাড়ি যেতেই হবে, কারণ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে ঈদ উদ্যাপনের একটা আলাদা আনন্দ রয়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে একসঙ্গে লাখ লাখ মানুষ গ্রামের বাড়িতে যেতে শহর ছাড়তে শুরু করে। অনেকেই ঝুঁকি নিয়েই শহর থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ করতে বাড়িতে যাবে। বাড়িতে যাওয়ার পর যদি কেউ জ্বরে আক্রান্ত হয়, তাহলে অবশ্যই রোগীকে সারাক্ষণ মশারির ভেতর রাখতে হবে, যাতে আক্রান্ত রোগীকে কোনো অবস্থায়ই মশায় কামড়াতে না পারে। যদি আক্রান্ত রোগীর ডেঙ্গু হয়ে থাকে আর তাকে যদি মশায় কামড়ায়, তাহলে শুধু ওই বাড়ির সদস্যরাই নয়, বরং ওই এলাকার অন্যরাও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারে। যেকোনো ধরনের জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে কোনো অবস্থায়ই গ্রামগঞ্জের অনভিজ্ঞ পল্লী চিকিৎসকদের কাছে নেওয়া যাবে না। অবশ্যই সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালের ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। জ্বরে আক্রান্ত শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এ ছাড়া যারা ঈদ করতে শহর থেকে গ্রামের বাড়ি যাবে, তাদের যাওয়ার আগে অবশ্যই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে বন্যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক-মহাসড়ক ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেগুলো এখনো যথাযথভাবে মেরামত করা সম্ভব হয়নি। ঈদ যাত্রায় কোনো ধরনের ঝুঁকি নেওয়া উচিত হবে না, কারণ আনন্দ কম হলেও নিজ নিজ অবস্থানে থেকেই ঈদ পালন করা যায়। ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে গিয়ে যেন কোনো বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে না হয়, সেদিকে বেশি সতর্ক থাকতে হবে। ঈদ যাত্রার পাশাপাশি এবার সারা দেশের মানুষকেই পশু কোরবানির ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যেহেতু এ বছর দেশ ভয়ানকভাবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত, তাই আসন্ন ঈদে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি বেশি নজর দিতে হবে। পশু কোরবানির পর যত দ্রুত সম্ভব পশুর বর্জ্য অপসারণ করতে হবে।

বিপ্লব বিশ্বাস

ফরিদপুর।

মন্তব্য