kalerkantho

চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে

৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলো পরিষ্কার করতে হবে এবং পাশাপাশি মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বাড়ির আশপাশের জলাশয়, ঝোপঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি থাকলে তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই সব সময় মশারির মধ্যে রাখতে হবে, যাতে কোনো মশা তাকে কামড়াতে না পারে। বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়। কখনো মুষলধারে বৃষ্টি আবার কখনো উজ্জ্বল রোদ কিংবা ভাপসা গরম—এ রকম অস্বস্তিকর পরিবেশে মূলত আবহাওয়ার তারতম্য এবং বাতাসে আর্দ্রতার পার্থক্যের কারণে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাল জ্বর হয়ে থাকে। আবার থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে পানি জমে ডেঙ্গু মশার প্রজনন বিস্তারের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তাই ডেঙ্গু মশার বিস্তারলাভ সহজ হয়। এ সময় জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং আক্রান্ত রোগীর বিশেষ যত্নের ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারণত ডেঙ্গু সংক্রমণের ৯৯ শতাংশ সংক্রমণই ঘটে বর্ষাকালে, আর বর্ষা-পরবর্তী সময়ে যখন পানি জমা অবস্থায় থাকে। কিছু ক্ষেত্রে এটি শরীরে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। জ্বরে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে সঠিকভাবে চললে কয়েক দিনেই ডেঙ্গু রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়। মশার সংখ্যা বৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ নষ্ট করা এবং মশার কামড় থেকে বেঁচে থাকার মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

এস এম সাইদুর রহমান উলু

পশ্চিম টেংরী, ঈশ্বরদী, পাবনা।

মন্তব্য