kalerkantho

সচেতনতা ও প্রতিরোধ দরকার

৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক নয়, সচেতনতাই পারে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং মশক নিধনেরও ব্যবস্থা নিতে হবে। ঘরবাড়ি ও এর চারপাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা টিনের কৌটা, মাটির পাত্র, বোতল, নারিকেলের মালা ও পানি ধারণ করতে পারে এমন পাত্র ধ্বংস করতে হবে যেন পানি জমতে না পারে। গোসলখানায় বালতিতে বা ড্রামে, ঘরের অন্য জায়গায় কোনো পাত্রে বা মাটির গর্তে চার-পাঁচ দিনের বেশি কোনো অবস্থায়ই পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না। ডেঙ্গু আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগী সাধারণত পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চলতে হবে, যাতে ডেঙ্গুজনিত কোনো গুরুতর জটিলতা না হয়। ডেঙ্গু সম্পূর্ণ ভালো না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামে থাকতে হবে। যথেষ্ট পরিমাণে পানি, শরবত, ডাবের পানি ও অন্যান্য তরলজাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। খেতে না পারলে স্যালাইন দেওয়া যেতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চললে কয়েক দিনেই ডেঙ্গু রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়। এ রোগের কোনো ভ্যাকসিন নেই, তাই মশা বৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ নষ্ট করে প্রতিরোধ ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিলকিছ আক্তার

সরকারি ম্যাটস ও ছাত্রী নিবাস, টাঙ্গাইল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা