kalerkantho

সচেতনভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে

৩ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রায় ২০ বছর আগেই দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ঘটলেও এর বিস্তার রোধে কখনো তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বা ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়নি। এ বছর আমাদের দেশে ডেঙ্গুর আক্রমণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশা শুধু কীটনাশক ছিটিয়ে ধ্বংস করা সম্ভব নয়। এর জন্য ব্যাপক জনসচেতনতা ও সতর্কতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত উদ্যোগেই নিজ নিজ বাসস্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। দেশের গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণার পাশাপাশি হাটবাজারে, গ্রামগঞ্জে সর্বত্র মাইকিং করে এবং প্রতিটি বাসাবাড়ি, অফিস ও ফ্ল্যাটে গিয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে। কাজেই ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি না করে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির প্রতিই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমানে শুধু ঢাকা শহরেই নয়, বরং সারা দেশেই এই রোগ ছড়িয়ে পড়ছে এবং দিন দিন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমান অবস্থায় জাতীয়ভাবেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। আরো অন্তত তিন মাস এই দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য অতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বিশ্বের যেসব দেশ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে, প্রয়োজনে তাদের পরামর্শও গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে সব কিছুই খুব কম সময়ের মধ্যেই করতে হবে। বর্তমান অবস্থায় ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এডিস মশার বংশ বৃদ্ধি রোধ করার পাশাপাশি জ্বরে আক্রান্ত যেকোনো রোগীকেই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে আলাদাভাবে মশারির মধ্যে রাখা। জ্বরে আক্রান্ত কোনো রোগীকে যাতে এডিস মশা কামড়াতে না পারে সেদিকে বেশি খেয়াল রাখতে হবে। একই সঙ্গে জনমনে সৃষ্ট আতঙ্ক দূর করাও জরুরি কাজ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

বিপ্লব বিশ্বাস

ফরিদপুর।

মন্তব্য