kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

কৃষিশিল্প রক্ষায় সরকারের ভূমিকা

১৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষি। দেশের ৪০ শতাংশ মানুষের কর্মসংস্থানের খাত কৃষি। কিন্তু তাতে সরকারের হয়তো তেমন মনোযোগ নেই। রেমিট্যান্স ও গার্মেন্ট আয়ের দিকেই বেশি মনোযোগ সরকারের। দেশের ১৭ কোটি মানুষের মুখে অন্ন জুগিয়েও অবহেলিত রয়ে যাচ্ছে কৃষকরা। সন্তানের মমতায় লালন করা ফসল এখন কৃষকের গলার কাঁটা। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, মাথার ঘাম ঝরিয়ে যে সোনালি ফসল কৃষকরা ফলায়, তার ন্যায্য মূল্য নেই। ফসল ফলিয়ে যথার্থ মূল্য না পেয়ে তারা দিশাহারা। এ অবস্থা প্রলম্বিত হলে কৃষকসমাজ ফসল উৎপাদন ছেড়ে দিতে বাধ্য হবে। ফলে দেশে খাদ্যাভাব দেখা দিতে পারে। শুধু ধান কেন, সব ফসলের ন্যায্য মূল্য কৃষিজীবীরা যাতে সঠিক সময়ে পায় সে নিশ্চয়তা সরকারকে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারকে যে বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে—সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করতে হবে। ফসলের সঠিক দাম নির্ধারণ করতে হবে। ন্যায্য মূল্যে ধান ক্রয় করতে হবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য নির্মূল করতে হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু করতে হবে। কৃষি খাতে পর্যাপ্ত ভর্তুকি দিতে হবে। শুধু ধান চাষ না করে বিকল্প ফসল চাষ করতে হবে। কৃষি যান্ত্রিককীরণ করে ফসল কর্তন ও মাড়াই করতে হবে। রপ্তানি বৃদ্ধি ও আমদানি হ্রাস করতে হবে। কৃষি উপকরণ যেমন সার, কীটনাশক, বীজ, সেচ পাম্প, ট্রাক্টর, মাড়াই যন্ত্রের মূল্য হ্রাস করতে হবে। কৃষকদের ধান কর্তনের পর কমপক্ষে দুই মাস বিলম্বে বাজারজাতে উদ্বুুদ্ধ করতে হবে। উৎপাদন থেকে বাজার পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রভাবশালী মিলার ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

মো. ইলিয়াছ হোসেন

খটখটিয়া, মহানগর, রংপুর।

মন্তব্য