kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখা উচিত

১৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুঃখ লাগে নুসরাতের খুনের জন্য যাঁকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে, তাঁকে যখন রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তাঁর চেহারায় কোনো অনুশোচনাবোধ দেখা যায়নি। মনে হয়নি তিনি ভীতসন্ত্রস্ত। তার মানে এই ঘটনায় অপরাধীর মনের ভেতর কোনো দাগ কাটাতে পারেনি। অপরাধী ভীত হলে অপরাধ ঘটানোর আগে চিন্তা করতেন। নুসরাত অন্যায়ের কাছে, কারো যৌন লালসার কাছে নত হয়নি। নিজের প্রাণ দিয়ে মেয়েটি সাহসের সঙ্গে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছে। এ ঘটনায় মামলা, তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া পর্যন্ত নজর রাখতে হবে। অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখা উচিত। এ ক্ষেত্রে তার সামাজিক পরিচয় মুখ্য নয়। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যখন পাপ, অপরাধ, নৃশংসতা ও অনৈতিকতার ব্যাপ্তি ঘটে, তখন তা আস্থার জায়গাগুলো পর্যন্ত পৌঁছে যায়, তখন সমাজে আর বাছবিচার থাকে না। আমরা যৌন হয়রানি বন্ধে জরুরি আইন দাবি করছি। আদালত থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যৌন হয়রানি বন্ধে একটা কঠিন আইন করতে হবে। সেই সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করতে হবে। অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। প্রাথমিকভাবে নুসরাতের যে মানবিক মর্যাদাহানি করা হয়েছে, তারও বিচার হওয়া উচিত। থানার ওসিকে শুধু প্রত্যাহার নয়, তদন্ত করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষকদের জন্য ফাঁসি নয়, একটা চিড়িয়াখানা চাই, যেখানে গিয়ে আগামী দিনের শিশুরা জানতে পারবে পৃথিবীতে থাকা মানুষের মতো দেখতে, কিন্তু সব প্রাণী মানুষ নয়।

কে এম আলমগীর

ও আর নিজাম রোড, চট্টগ্রাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা