kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

শিক্ষক হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর

১৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



সমাজ ও রাষ্ট্রের একাংশ এবং কিছু অসৎ, লম্পট, দুর্নীতিপরায়ণ মানুষের দ্বারা সাধারণ মানুষ নির্যাতিত, নিষ্পেষিত, অবহেলিত, লাঞ্ছিত হয়। এসব মানুষের বিরুদ্ধে সময়মতো যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে দুর্বৃত্তপনার আরো বিস্তার ঘটে। আর দুর্বৃত্তদের, দুরাচারীদের বলি হতে হয় নুসরাতকে এবং আরো অনেককে। এমন বিভীষিকাময় পরিস্থিতির জন্য দায়ী কে? সমাজপতি, রাজনীতিক, পুলিশপতি না রাষ্ট্রযন্ত্র?

প্রশ্ন হলো, স্থানীয় প্রশাসন, থানা-পুলিশ কেন অভিযুক্তকে আইনের আওতায় নেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি? ওই শিক্ষাঙ্গনের পরিচালনা পর্ষদ, উপজেলা বা জেলা প্রশাসন মাদরাসার অধ্যক্ষের অপরাধ জেনেও কেন নীরব ছিল? এমন অনাচার, নিষ্ঠুরতা জনমনে আঘাত করে। ফলে ক্ষোভের, দ্রোহের জন্ম হয়। একসময় এসবের বিস্ফোরণ ঘটে।

অধ্যক্ষ সিরাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি; স্থানীয় প্রশাসনের যে ব্যক্তিরা পক্ষপাতিত্ব করেছেন, তাঁদেরও শাস্তি চাই। এমন পদক্ষেপ নেওয়া হোক যা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে নড়েচড়ে বসতে হবে। সমাজের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটার আগেই পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্যাতনকারীদের, নিপীড়কদের দুঃসাহসের উৎসে আঘাত হানতে হবে। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

নিমাই কৃষ্ণ সেন

বাগেরহাট।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা