kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

প্রশাসনকে দলমুক্ত ও নিরপেক্ষ হতে হবে

১০ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন থাকা জরুরি। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ প্রশাসনও দরকার। ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ রক্ষা, ভোটারদের নিরাপত্তা বিধান এবং কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় না দিয়ে সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ ও গণনা ও নিরপেক্ষ মানসিকতা না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন হয়। আমাদের দেশে সমস্যা হলো, আমরা দল ও সরকারকে আলাদা করে দেখার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। নিয়ম হচ্ছে, দল দলের জায়গায় থাকবে; সরকার সরকারের জায়গায়। দল ও সরকার যদি এক হয়ে যায়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে তা সামাল দেওয়া কঠিন। এ জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার আইনের শাসন। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনকে কিছু দায়িত্ব নিতে হবে। নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। আমরা সবাই যার যার মতো চলব, আর নির্বাচন কমিশন আমাদের নির্বাচন করে দেবে এবং সেই নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ—এটা ভাবা ঠিক নয়। প্রশাসনকে দলমুক্ত ও নিরপেক্ষ করে তার ক্ষমতা সঠিকভাবে প্রয়োগের সুযোগ দিলে দেশের নির্বাচনব্যবস্থা শক্তিশালী হবে। স্বাধীন প্রশাসনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি যোগ্য ও ন্যায়নিষ্ঠ নির্বাচন কমিশন, রুচিশীল ও পরিচ্ছন্ন মনমানসিকতার ধারক-বাহক রাজনৈতিক দল ও সংবেদনশীল নাগরিক সমাজ—সবার সমন্বয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

মন্তব্য