kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক নারী ক্রীড়াবিদদের

৭ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক নারী ক্রীড়াবিদদের

এশিয়া কাপ ক্রিকেট জয়ের পর এবার অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন বাংলার নারী ফুটবল খেলোয়াড়রা। বিশ্ব দরবারে উড়িয়েছেন লাল-সবুজের বিজয় নিশান। অসীম বিক্রমে বজায় রেখেছেন মাতৃভূমির সম্মান। এই খেলোয়াড়রা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে আসা।

বিজ্ঞাপন

এই কিশোরীদের কারো কারো বাবা কৃষক, ছোট ব্যবসায়ী কিংবা স্বল্প বেতনে চাকরি করেন। তৃণমূলের অভাবী পরিবারের কিশোরীরাও যে সুযোগ পেলে জাতীয় মর্যাদা বয়ে আনতে পারে, সেটা দেখিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা। বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে অসংখ্য কিশোরী আছে, যাদের ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্যের সম্ভাবনা অনেক। কিন্তু সব সম্ভাবনা অকালেই বিনষ্ট হয়ে যায় সামাজিক কিছু কুসংস্কারের কারণে। শুধু গ্রামের কিশোরী নয়, শহরেও কিশোরীদের খেলাধুলায় অনেক রকম সমস্যা রয়েছে।

স্কুল পর্যায়ে মেয়েদের খেলাধুলাকে উৎসাহিত করার জন্য আরো বেশি টুর্নামেন্টের আয়োজন করা দরকার। প্রয়োজন প্রশিক্ষণ। বাংলাদেশে খেলাধুলায় যে মেয়েরা এগিয়ে এসেছে, তাদের বেশির ভাগই নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে আসা। এদের যেমন রয়েছে পুষ্টি ঘাটতি, তেমনি রয়েছে সামাজিক প্রতিবন্ধকতাও। এ কারণে খেলাধুলায় ভালো এমন মেয়েদের জন্য বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

স্থানীয় পর্যায়ে কিশোরীদের বিভিন্ন ক্রীড়ানুষ্ঠানের আয়োজন করলে সামাজিক বাধা ও কুসংস্কারগুলো কাটবে। আন্তর্জাতিকভাবে আমরা দেখেছি, সাফ দেশগুলোর মধ্যে আয়োজিত টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের মেয়েরা দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। তাঁরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মেয়েরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাই শুধু ফুটবল বা ক্রিকেট নয়, নারীদের জন্য ভলিবল, বাস্কেটবল, হকি, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন এবং অ্যাথলেটিকসে বিশেষ সহায়তা ও প্রশিক্ষণ দিতে হবে। পরিবার, সমাজ ও দেশ থেকে নারী ক্রীড়াঙ্গনে দেওয়া হোক উৎসাহ।

মো. মাসুদ হোসেন

চাঁদপুর।



সাতদিনের সেরা