kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৯ নভেম্বর ২০২২ । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

চাকরির আবেদনে ফি

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাকরির আবেদনে ফি

ছাত্ররা জাতির ভবিষ্যৎ। ছাত্র থাকাকালে কিংবা ছাত্রজীবন শেষে চাকরির সন্ধানে উঠেপড়ে লাগতে হচ্ছে। বর্তমান সময়ে একজন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি যখন সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তখন বেকারদের পকেট যে নিতান্তই ফাঁকা থাকে, এটা বলার আর অপেক্ষা রাখে না। এই বেকারত্বের ওপর বরাবরই চেপে বসছে সরকারি-বেসরকারি চাকরির আবেদনের মাত্রাতিরিক্ত ফি।

বিজ্ঞাপন

বেশির ভাগ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সব সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার আবেদনে ফি না লাগলেও এর বাইরে সব সরকারি চাকরির আবেদনে উচ্চ হারে ফি আদায় করা হচ্ছে। তা ছাড়া কম্পিউটার নেই এমন প্রার্থীদের দোকানে গিয়ে আবেদন করতেও খরচ বাড়ে। নিয়োগ পরীক্ষাগুলো বেশির ভাগ ঢাকায় হওয়ায় যাতায়াত খরচ মাথার ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বেকাররা এত টাকা কোথায় পাবেন? নিয়োগদাতারা হাসিমুখে বলে থাকে, তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার সার্বিক ব্যয় মেটাতে এই ফি নেওয়া হয়। অথচ দেখা যায়, যত টাকা ব্যয় হয় তার থেকেও কয়েক গুণ বেশি ফি তারা আদায় করছে। সরকার কি পারবে বেকারত্বকে পুঁজি করে ব্যবসা করা বন্ধ করতে? উন্নত বিশ্ব যেখানে বেকার ভাতা দেওয়া হয়, আমাদের দেশে কেন বেকারদের ওপর আবেদন ফি চাপিয়ে দেওয়া হয়? আমরা কি কোনো দিন উন্নত বিশ্বের মতো রোল মডেল হতে পারব না?

সিফাত রাব্বানী

শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।



সাতদিনের সেরা