kalerkantho

মঙ্গলবার ।  ১৭ মে ২০২২ । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩  

কোচিং বাণিজ্যমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা চাই

২০ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোচিং বাণিজ্যমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা চাই

কোচিং ব্যবস্থা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার এক দুষ্ট ব্যাধি। কি শহর, কি গ্রাম—সবখানেই চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। নিয়ম-কানুন না মেনে যত্রযত্র কোচিং সেন্টার গড়ে উঠেছে। কয়েক বছর আগে যখন নোট বই পড়া নিষিদ্ধ করা হয়, তখন ওই ব্যবস্থা গ্রহণের পেছনে যুক্তি ছিল একটাই, সংক্ষিপ্ত পথে তথা নোট বইয়ের সাহায্যে যেন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় পাস করতে না পারে।

বিজ্ঞাপন

তাতে জ্ঞানার্জন হয় না। তাই টেক্সট বই পড়ার দিকে ছাত্রদের টেনে আনতে বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নোট বই নিষিদ্ধ করা হয়। তখন বলা হতো মনোযোগ দিয়ে টেক্সট বই পড়ো। অথচ এখন চলছে নোট বইয়ের চেয়ে দুষ্ট কোচিং বাণিজ্য। এর ফলে শিক্ষকদের বড় অংশের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে আগ্রহ কমে যাচ্ছে। এমনও অভিযোগ শোনা যায়, কোচিং না করলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হয় অথবা ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। এর ফলে শত কষ্ট হলেও তারা কোচিং করতে বাধ্য হয়। বর্তমানে কোচিং বাণিজ্যটা সাংগঠনিক রূপ নেওয়ায় মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিটি বিষয়ে কোচিং বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়। কারো জন্য কোচিং পাস করার সিঁড়ি, কারো জন্য পরীক্ষায় ভালো ফল করার অপরিহার্য উপায়। অনেক অভিভাবকের অভিযোগ, কোচিংয়ে না গেলে পরীক্ষার ফল ভালো হয় না। আশা করি এই বাণিজ্য বন্ধ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

মাজহারুল ইসলাম শামীম

স্নাতক শিক্ষার্থী, ফেনী সরকারি কলেজ।



সাতদিনের সেরা