kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

গণপরিবহনে ‘ইমার্জেন্সি এক্সিট’ প্রসঙ্গ

১০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গত ১১ মার্চ কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুরে একটি চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ডে বাসটির ভেতরে দুজন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো দুজন মারা যায়। এ ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয় আরো ২০ জন। বাসটির সামনের অংশে বা দরজার কাছে আগুন লাগার পর বাসের চালক ও তাঁর সহকারী বেঁচে  গেলেও যাত্রীরা করুণ পরিণতির শিকার হয়। বাসটির জানালার কাচ ভেঙে যারা বের হতে সক্ষম হয়েছে তারা প্রাণে বেঁচে গেছে। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা আমাদের দেশে নতুন নয়। এ ক্ষেত্রে বাসমালিক ও চালকদের অবহেলাকে দায়ী করা হলেও প্রশাসন তথা সরকারেরও কিছু দায়বদ্ধতা আছে। দেশের হাতে গোনা কিছু ভিআইপি বাসে ইমার্জেন্সি এক্সিটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বাকি সব বাসে ইঞ্জিনের পাশে একটি মাত্র ফটক রয়েছে। ফলে কোনো বাস দুর্ঘটনাকবলিত হলে পেছনের যাত্রীদের মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হয়। উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে বাসে বাধ্যতামূলক জরুরি নির্গমনের (ইমার্জেন্সি এক্সিট) ব্যবস্থা রয়েছে। আমাদের দেশেও সব গণপরিবহনে ইমার্জেন্সি এক্সিট বাধ্যতামূলক করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আবু মো. ফজলে রোহান

নবগ্রাম,  চৌদ্দগ্রাম  পৌরসভা, কুমিল্লা।