kalerkantho

বুধবার । ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



বর্তমানে দেশের গ্যাসক্ষেত্র ২৭টি। এতে মজুদের পরিমাণ ৩৯.৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট, যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ২৭.৭৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। উত্তোলনযোগ্য মজুদ ১১.৯২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। প্রতিবছর প্রায় এক ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। দেশের গ্যাসের মজুদ শেষ হতে আর প্রায় ১২ বছর বাকি। গ্যাসের মিটার সিস্টেম না থাকায় গ্যাস ব্যবহারে মানুষজন সচেতন নয়। একটি ম্যাচের কাঠি বাঁচাতে সারা দিন গ্যাসের চুলা চালু করে রাখে অনেকে। গ্যাসের চাহিদা মেটাতে সরকার তরল গ্যাস আমদানি করা অব্যাহত রেখেছে। রান্নাবান্নার কাজে প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে বায়োগ্যাস ও ইলেকট্রিসিটি ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ দেশে ইলেকট্রিসিটি উদ্বৃত্ত থাকছে। নতুন করে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার না হলে মানুষের অসচেতনতায় মজুদ গ্যাস নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়ে যাবে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা দরকার।

জাকির মাহমুদ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা