kalerkantho

সোমবার । ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ ফাল্গুন ১৪২৬। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

পোল্ট্রিশিল্পের সংকট

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পোল্ট্রিশিল্পের সংকট

পোল্ট্রিশিল্প নানাভাবে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে এ খাতে বিনিয়োগ করা ৩৫ হাজার কোটি টাকার পুঁজি। পোল্ট্রি ফিডের দাম বাড়ছে হু হু করে। এর বিপরীতে কমছে ব্রয়লার মুরগির দাম। ৭০ টাকার বাচ্চা মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। এতে উৎপাদন খরচও উঠছে না। খামারিদের পক্ষে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। চাহিদার তুলনায় দেশে মাংসের উৎপাদন বেড়ে যাওয়াও সংকটের জন্য দায়ী। বিভিন্ন সূত্র বলছে, জনসংখ্যা অনুপাতে বার্ষিক মাংসের চাহিদা ৭২ দশমিক ১৪ লাখ টন। কিন্তু উৎপাদিত হচ্ছে ৭২ দশমিক ৬০ লাখ টন। মাংস উৎপাদনে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতাই নয়, চাহিদার চেয়ে বেশি উৎপাদিত হচ্ছে। পোল্ট্রিশিল্পে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। পরোক্ষভাবে আরো প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ মানুষ এ শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের এ লক্ষ্য ২০২১ সাল নাগাদ দৈনিক প্রায় সাড়ে চার কোটি ডিম এবং প্রচুর পরিমাণে মুরগির মাংস উৎপাদনের প্রয়োজন হবে। তাই জরুরি ভিত্তিতে পোল্ট্রিশিল্পের সংকট মোচনে উদ্যোগ নেওয়া দরকার। পোল্ট্রিশিল্প রক্ষায় হাঁস-মুরগির খাবার তৈরির উপাদানের দাম যাতে বেড়ে না যায় সে ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি।

শুভ্র ঘোষ

কলকলিয়াপাড়া, মাগুরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা