kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কুটির শিল্পের বিকাশ চাই

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



কুটির শিল্পের বিকাশ চাই

বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁ শহরেই শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন স্বাধীনতার পর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন লোকশিল্প সংগ্রহশালা। এটি এখন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নিদর্শনের মূল্যবান কেন্দ্র। সোনারগাঁ বা প্রাচীন পানাম নগরেই বাংলার ঐতিহ্যবাহী বস্ত্র মসলিন, জামদানি প্রভৃতি তৈরি হতো। এখন জামদানি বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এবার পুরো সোনারগাঁ নগরী পেল বিশ্ব কারুশিল্প শহরের মর্যাদা। এটি দেশের জন্য গৌরবের, তেমনি এর মাধ্যমে সাংস্কৃতিক পর্যটনের পথও খুলে গেল। বাংলাদেশে এখনো বিভিন্ন এলাকায় উচ্চমানের কুটির শিল্প নির্মিত হয়। দেশীয় বস্ত্রশিল্পের জন্য আরো অনেক এলাকা বিখ্যাত। নকশি কাঁথা, মাটির কাজ, বেতশিল্প প্রভৃতি বিষয়ে অনেক এলাকার খ্যাতি রয়েছে। কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় লোকশিল্পের আরো ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করতে পারে। এতে ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প রক্ষা পাবে, কারুশিল্পীদের পক্ষে বংশের বৃত্তি রক্ষা করা সম্ভব, অর্থনীতিতেও কিছু সংযোগ ঘটবে। দেশের পরিচিতি ও সুনাম বাড়বে, সাংস্কৃতিক পর্যটনেরও প্রসার ঘটবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রয়োজন।

শুভ্র ঘোষ

নতুন বাজার, কলকলিয়াপাড়া, মাগুরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা