kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড ও জনদুর্ভোগ

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ত্রিশালের ওপর দিয়ে প্রতিদিন ঢাকা ও ময়মনসিংহগামী শত শত বাস চলাচল করে। ত্রিশালে কোনো স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড নেই। সরকারি নজরুল কলেজ সংলগ্ন দরিরামপুর চার রাস্তার মোড় বহুদিন ধরেই বাসস্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই মোড়ে ঢাকা ও ময়মনসিংহগামী বাস থামে। যাত্রীরাও ওঠানামা করে। আবার ত্রিশাল থেকে ময়মনসিংহগামী প্রায় ৫০টির বেশি লোকাল বাস ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের ওপর সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। কাছেই ত্রিশাল বালিপাড়া সিএনজি স্টেশন। এখান থেকেও সিএনজিচালিত শতাধিক অটোরিকশা চলাচল করে। ত্রিশাল-ময়মনসিংহ সিএনজি স্টেশনও গড়ে উঠেছে ঢাকা-ময়মনসিংহ চার লেন মহাসড়কের ওপর। এসব কারণে প্রতিদিনই অসহনীয় যানজটের সৃষ্টি হয় ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের ত্রিশাল অংশে। শত শত বাস, মিনিবাস দাঁড়িয়ে থাকে দীর্ঘ সময়। জরুরি রোগী পরিবহনের অ্যাম্বুল্যান্সও আটকা পড়ে। ঘটে সড়ক দুর্ঘটনা। যানজট কখনো কখনো দরিরামপুর পার হয়ে ত্রিশাল পৌরসভা পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করে। তখন ত্রিশাল পৌরবাসী ও যাত্রীসাধারণের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। এই দুর্ভোগ নিরসনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে কিছুদূরে ত্রিশাল-ময়মনসিংহ বাসস্ট্যান্ড স্থাপন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ত্রিশাল-বালিপাড়া সিএনজি স্টেশনটিও অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া দরকার। এতে যানজট অনেকটা কমবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও হ্রাস পাবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

নিতাই চন্দ্র রায়, ত্রিশাল পৌরসভা, ময়মনসিংহ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা