kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

ভ্যাটের চালান প্রদানে অপারগতা

১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভ্যাটের চালান প্রদানে অপারগতা

ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর, সংক্ষেপে মূসক। শব্দটির সঙ্গে সচেতন নাগরিক সমাজ মোটামুটি পরিচিত। প্রথম দিকে দেশের অল্প কিছু পণ্যের স্থানীয় উৎপাদনের ওপর মূসক আরোপ করা হলেও পর্যায়ক্রমে বেশির ভাগ পণ্য, সেবা-পরিষেবা, আমদানি, পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় প্রভৃতিও মূল্য সংযোজন করের আওতায় আনা হয়েছে। ভ্যাট শব্দটির সঙ্গে পরিচিত হলেও অনেকে ভ্যাটের রসিদ মূসক-১১-এর সঙ্গে পরিচিত নয়। রসিদ গ্রহণের মাধ্যমে একজন ভোক্তা নিশ্চিত হতে পারে তার প্রদেয় ভ্যাট সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে কি না। দেশের নামিদামি শপিং মলে দেখা যায়, পণ্যের গায়ে মূল্য দুই হাজার টাকা লেখা থাকলেও বিল করার সময় তা হয়ে যাচ্ছে বাইশ শ বা মূল দামের চেয়ে দুই শ থেকে তিন শ টাকা বেশি। চক্ষুলজ্জায় আমরা অতিরিক্ত ভ্যাটের কারণ সম্পর্কে জানতে চাই না। কেউ জানতে চাইলে বিক্রেতারা ক্রেতাকে কিছু একটা বুঝিয়ে দেয়। ক্রেতাও তা বুঝে অল্প কথায় স্থান ত্যাগ করে। যেখানে সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেক ক্রেতার দায়িত্ব যথাযথ ভ্যাট চালানের রসিদ বুঝে নেওয়া; কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভ্যাটের রসিদ সম্পর্কে অবগত না হওয়ায় অতিরিক্ত ভ্যাট প্রদানের মধ্য দিয়ে আমরা বিক্রেতাদের অনৈতিকতাকে প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছি। বিক্রেতা অজুহাত দেখায়, ভ্যাটের রসিদ বই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ইত্যাদি। এ বিষয়ে জনসচেতনতা ও কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রয়োজন।

নুসরাত জাহান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা