kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

শ্যামাসুন্দরী নদী রক্ষা করুন

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্যামাসুন্দরী নদী রক্ষা করুন

রংপুর শহরের প্রাণ হিসেবে খ্যাত শ্যামাসুন্দরী ছোট নদী বা খাল এখন শহরবাসীর কাছে অভিশাপে পরিণত হয়েছে। শ্যামাসুন্দরী নদী, না খাল, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। তবে এটি নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই যে দখলে-দূষণে শ্যামাসুন্দরী এখন ধুঁকছে। ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শ্যামাসুন্দরী ছিল প্রবহমান নদী। কিন্তু নগরবাসীর কাছে এখন এটি খাল হিসেবে পরিচিত। রংপুর শহরের বিভিন্ন নালা-নর্দমার লাইন গিয়ে মিশেছে ওই নদীতে। এ ছাড়া আশপাশের বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা-বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নদীতে। এভাবে ধীরে ধীরে খালটিকে ভাগাড় বানানো হয়েছে। টয়লেটের লাইন জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবে নদীটি মশা-মাছি ও পোকার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। নদীটি এখন অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। কয়েক বছর আগেও শ্যামাসুন্দরীতে সারা বছরই পানির প্রবাহ থাকত। মাছ পাওয়া যেত। মানুষজন নদীতে গোসল করত। কিন্তু এখন পানি থাকে না। বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। আশপাশের অন্যান্য নদী-খালের সঙ্গে যুক্ত থাকায় শ্যামাসুন্দরীর বর্জ্য-আবর্জনা অন্যান্য নদী-খালেও ছড়িয়ে পড়ছে। এর সংস্কার ও সৌন্দর্য বাড়াতে ২০১২ সালে প্রায় ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু নদীর উন্নয়ন নয়, সংস্কারকাজে জড়িতদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে বেশি। নগরের পানি নিষ্কাশন, পরিবেশ রক্ষা, জলাবদ্ধতা নিরসনে খালটিকে রক্ষা করতে হবে। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সাধন সরকার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

মন্তব্য