kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

একটি মানবিক আবেদন

২৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একটি মানবিক আবেদন

পার্বতীপুর শহরের চার ভাগের তিন ভাগ এলাকা রেলওয়ে ভূমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। স্বাধীনতাযুদ্ধ শেষে অবাঙালিরা শহর ছেড়ে চলে গেলে তাদের ফেলে যাওয়া রেলওয়ে ভূমির ওপর বাঙালিরা দোকানপাট ও বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করতে থাকে ও ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করে। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত রেলওয়ের প্রতি স্কয়ার ফুট ভূমির খাজনা ছিল ২৫ পয়সা মাত্র। এই খাজনা বাড়তে বাড়তে চার টাকায় পৌঁছায়। ব্যবসায়ীরা রেলওয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে হাইকোর্ট ব্যবসায়ীদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে তদারকির অভাবে সুপ্রিম কোর্ট রেলওয়ের পক্ষে রায় প্রদান করেন। পরে চার টাকার খাজনা প্রতি স্কয়ার ফুট ৩২ টাকা নির্ধারণ করায় ৯০ শতাংশ রেলভূমির খাজনা অপরিশোধিত রয়ে গেছে। কিছুদিন আগে রেলমন্ত্রী পার্বতীপুর আসেন এবং অবৈধভাবে দখলে থাকা রেলভূমি দখলকারীদের একটি তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেন। সে নির্দেশ মোতাবেক তালিকা প্রস্তুত করার কাজ চলছে। যাদের বাড়িঘর বা দোকানঘরের খাজনা পরিশোধ করা নেই, তাদের বসতবাড়ি ও দোকানঘরে লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ জন্য ভুক্তভোগীরা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় শহরের আশপাশের এক বিপুলসংখ্যক মানুষ অন্য এলাকার চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উচ্ছেদ আতঙ্কে আতঙ্কগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই। মানবিক কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়গুলো বিবেচনা করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

ইতি মেহ্দী বিথী, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা