kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

মানবসম্পদ উন্নয়নে শিক্ষা

৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানবসম্পদ উন্নয়নে শিক্ষা

যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত। শিক্ষা বলতে আমরা বুঝি, কোনো বিষয় জানা এবং বোঝা। আসলে মানুষ জন্মের পর থেকেই চারপাশের পরিবেশ থেকে নানা বিষয় শিখতে থাকে। এ জন্যই কবি বলেছেন, ‘বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র’। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকেই আমরা শিক্ষা হিসেবে বুঝি। শিক্ষাই মানুষকে মনুষ্যত্ব অর্জনে সাহায্য করে। শিক্ষা মানুষকে জ্ঞান দিয়ে সম্প্রীতি বাড়ায়, কুসংস্কার দূর করে সমাজকে আলোকিত করে। অধুনা শিক্ষাকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হচ্ছে—সাধারণ শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষার অগ্রযাত্রায় পৃথিবী দ্রুত উন্নতির দিকে এগিয়ে চলছে। কর্মমুখী শিক্ষা উন্নতি ও উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য শিক্ষা। মানবসম্পদ হচ্ছে মানুষের শক্তি, দক্ষতা, মেধা ও জ্ঞান, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। মানুষের জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির নাম মানবসম্পদ উন্নয়ন। মানবসম্পদ উন্নয়নের উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের বোধ-বুদ্ধি ও কর্মদক্ষতার যোগ্যতার প্রসার ঘটানো। কর্মমুখী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বহুবিধ। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দারিদ্র্য বিমোচনে এ শিক্ষা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। রোজগারের পথ খুলে দেয় এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেয়। কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ জনশক্তিকে বিদেশে পাঠিয়ে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। তাই কর্মমুখী শিক্ষা আরো ব্যাপক হওয়া প্রয়োজন। বর্তমান যুগে কারিগরি শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতির উন্নতি সম্ভব নয়। এ বিষয়ে সরকারের মনোযোগ দেওয়া জরুরি। 

ফোরকান উদ্দিন আহাম্মদ, সাভার, ঢাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা