kalerkantho

সোমবার । ২৮ নভেম্বর ২০২২ । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সবিশেষ

পুতিনের তুরুপের তাস ‘পসেইডন’?

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৬ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুতিনের তুরুপের তাস ‘পসেইডন’?

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিজ দেশের সামরিক শক্তি প্রদর্শনে ‘পসেইডন’ নামের বিশাল পারমাণবিক টর্পেডো পরীক্ষা করতে পারেন এবার। ন্যাটোর এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

যুক্তরাজ্যের ঊর্ধ্বতন এক প্রতিরক্ষা সূত্র গত সোমবার টাইমস অব লন্ডনকে বলেছে, নিজ সদস্য দেশসহ মিত্রদের কাছে ন্যাটোর পাঠানো গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ক্রেমলিনের এই তথাকথিত ‘ডুমসডে’ (ধ্বংসের দিন) পারমাণবিক টর্পেডো পরীক্ষার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।

জানা গেছে, পসেইডনের পানির নিচ দিয়ে দীর্ঘ এলাকা পাড়ি দিয়ে উপকূলীয় শহরগুলোতে আঘাত হানার মতো সক্ষমতা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এটি তৈরিই করা হয়েছে সেই লক্ষ্যে।

একাধিক সূত্র বলছে, ইউক্রেন সীমান্তের কাছে কৃষ্ণ সাগরে এ ধরনের পরীক্ষা চালানো হতে পারে। তাদের মতে, হয়তো এর মধ্য দিয়েই পুতিন নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা ‘সব কিছু প্রয়োগের’ যে হুমকি দিয়েছিলেন, তার সত্যতা প্রমাণ করতে চাইছেন।

পর্যবেক্ষকদের জানা মতে, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী সাবমেরিনভিত্তিক পারমাণবিক টর্পেডোটিকে শত্রুর যুদ্ধবিমানবাহী রণতরি ও জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবহারের কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে দেখে। সাম্প্রতিক একাধিক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, অস্ত্রটি দুই মেগাটন ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। সে হিসাবে এটি ক্ষমতার দিক থেকে ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় ফেলা আণবিক বোমার চেয়ে অন্তত ১৫০ গুণ শক্তিশালী। এর দৈর্ঘ্য ৮০ ফুট। এক কথায় বলা যায়, পসেইডন নিজেই যুদ্ধাস্ত্রসমেত এক মানববিহীন সাবমেরিন। মহা অস্ত্রটি তৈরির কাজ কতটা এগিয়েছে, তা এখনো পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি। পশ্চিমা এক কূটনীতিক গত মঙ্গলবার রয়টার্সকে বলেন, পসেইডন সম্পর্কে ন্যাটো কোনো সতর্কতা জারি করেনি। অন্যদিকে ক্রেমলিন নিজে এ রকম অস্ত্র থাকার দাবি অস্বীকার করে বলেছে, এটি পশ্চিমাদের বাগাড়ম্বর মাত্র। সূত্র : নিউ ইয়র্ক পোস্ট।

 

 



সাতদিনের সেরা