kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

পঞ্চগড়ে নৌকাডুবিতে দায়ী ইজারাদার ও অদক্ষ মাঝি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

৪ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পঞ্চগড়ে নৌকাডুবিতে দায়ী ইজারাদার ও অদক্ষ মাঝি

পঞ্চগড়ের আউলিয়া ঘাটে নৌকাডুবির ঘটনার জন্য দায়ী ইজারাদার ও অদক্ষ মাঝি। গত রবিবার প্রতিবেদন জমা দেয় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি। প্রতিবেদনে নৌকাডুবির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় ইজারাদারের গাফিলতি, অদক্ষ মাঝি, কুসংস্কার, ধর্মীয় অনুভূতি, অসচেতনতা, অতিরিক্ত যাত্রী, নৌকায় ত্রুটিসহ বেশ কিছু কারণ। একই সঙ্গে সেখানে পাঁচটি সুপারিশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে নৌকাডুবিতে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হারানো ৯টি পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা অর্থসহায়তা দিয়েছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। গতকাল সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ওই পরিবারগুলোর স্বজনদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম। এ সময় প্রথম চারটি পরিবারকে এক লাখ টাকা, অন্য চারটি পরিবারকে দুই লাখ টাকা ও আরো একটি পরিবারকে তিন লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। পরে দুর্গাপূজার উপহার হিসেবে চাল, ডাল, আটা, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের একটি করে বাক্স তুলে দেওয়া হয় প্রতি পরিবারকে। এমনকি নৌকার মাঝিদের মাঝে ১৪টি লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করে বিদ্যানন্দের সদস্যরা।

নৌকাডুবিতে মারা যাওয়া সেন্টু বর্মণের স্ত্রী ভৈরবি রানী বলেন, ‘আমার স্বামী ছাড়া আমাদের দেখার মতো কেউ নেই। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আমাকে দুই লাখ টাকা অর্থ সহায়তা ও পূজার উপহার দিয়েছে। আমাদের মতো অসহায় পরিবারগুলোর অনেক উপকার হলো। ’

জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম বিস্তারিত কিছু না বললেও জানান, তাঁরা তদন্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে পাঠিয়েছেন। নৌকাডুবির ঘটনায় সাত-আটটি মূল কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে এবং পাঁচ প্যারায় অনেক সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকসহ আরো উপস্থিত ছিলেন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড মেম্বার জামাল উদ্দিনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর পঞ্চগড়ের আউলিয়ার ঘাটে নৌকাডুবির ঘটনায় মারা যায় ৬৯ জন এবং এখনো নিখোঁজ তিনজন। আর মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৮ জনই সনাতন ধর্মাবলম্বী। যার কারণে হতাহতের  পরিবারগুলোর এবারের পূজার আমেজ একেবারেই নেই।



সাতদিনের সেরা