kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০২২ । ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা

কেউ ভোটে না এলে সংবিধান লঙ্ঘন করতে পারি না

বগুড়া অফিস   

১ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কেউ ভোটে না এলে সংবিধান লঙ্ঘন করতে পারি না

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় চেয়েছি, এখনো চাচ্ছি; সবাই আসবেন, এটা আমরা বিশ্বাস করি। কমিশনের সামনে নির্বাচন করার আইন দেওয়া আছে, সংবিধান দেওয়া আছে। কেউ আসবেন না বলে তো আমরা সংবিধান লঙ্ঘন করতে পারি না, দেশে ক্রাইসিস তৈরি করে দিতে পারব না, সেটা উচিত হবে না।

বিজ্ঞাপন

গতকাল শুক্রবার দুপুরে বগুড়া সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা এ কথা বলেন।

রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘আমাদের যে আইনের কাঠামো রয়েছে তার মধ্যে থেকেই নির্বাচন করব। আমরা আহ্বান করব উনারা আসবেন। আমরা বিশ্বাস করি উনারা আসবেন, কারণ উনারাও দেশকে ভালোবাসেন, উনারাও জনগণের বন্ধু। ’ তিনি আরো বলেন, যাঁরা ইভিএম নিয়ে নানা সংশয়ের কথা বলেন, তাঁদেরকে অনেকবার বিশেষজ্ঞ নিয়ে এসে ইভিএমের ত্রুটি বের করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দল কিংবা অন্য কেউই এর কোনো সমস্যা বের করতে পারেনি। শুধু মুখে বললে হবে না আমরা প্রমাণ চাই ইভিএমে কী কী ত্রুটি আছে।

নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে জানিয়ে বেগম রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘এটি চলমান বিষয়। সব নির্বাচনের বুথে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা থাকবে। এরই মধ্যে আমরা সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করেছি। তবে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবস্থা থাকলেও সিসি ক্যামেরা থাকবে না। ’ তিনি বলেন, ‘বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই প্রার্থী ও তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা যেসব অভিযোগ তুলেছেন সেগুলোর কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। তবে যারাই নির্বাচনী বিধি-নিষেধ অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের আগে সম্মেলনকক্ষে আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত  জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালাহ্উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এ সময় পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল মোমিন খান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাছান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

 

 

 



সাতদিনের সেরা