kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৯ নভেম্বর ২০২২ । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

রূপপুরে দ্বিতীয় ইউনিটে ব্রিজক্রেন স্থাপন

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রূপপুরে দ্বিতীয় ইউনিটে ব্রিজক্রেন স্থাপন

ব্রিজক্রেন : রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটে ব্রিজক্রেন স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। ইউনিটের টারবাইন কম্পার্টমেন্টে স্থাপন করা হয়েছে এই ব্রিজক্রেন। প্রকল্পের ইনস্টলেশন, আপগ্রেডসহ নানা কাজে ব্রিজক্রেনগুলো ব্যবহৃত হবে। ছবি : কালের কণ্ঠ

নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের (আরএনপিপি) দ্বিতীয় ইউনিটে ব্রিজক্রেন স্থাপনের কাজ গত সপ্তাহে শেষ হয়েছে। ব্রিজটি ইউনিটটির টারবাইন কম্পার্টমেন্টে স্থাপিত হয়েছে।

প্রকল্পের নির্মাণ, ইনস্টলেশন, চালু অবস্থায় পুনর্নির্মাণ, মেরামত, আপগ্রেডসহ বিভিন্ন কাজে ব্রিজক্রেনগুলো ব্যবহৃত হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাশিয়ান রসাটমের বাংলাদেশি জনসংযোগ বিভাগের প্রধান পরামর্শক ফরহাদ কামালের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

ফরহাদ কামাল জানান, নকশা অনুযায়ী সবচেয়ে ভারী যন্ত্রপাতি স্থাপনে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন লিবার ১১৩৫০ ক্রেন ব্যবহার করা হয়। যার উত্তোলন ক্ষমতা এক হাজার ৩৫০ টন। রসাটম প্রকৌশল বিভাগের বিশেষ শাখা ভিডিএমইউ দ্বিতীয় ইউনিটে ৫০ টন ও ১৮০ টন উত্তোলন ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রেন দুটি স্থাপন করেছে। অন্যান্য যন্ত্রপাতিসহ ক্রেন দুটির ওজন যথাক্রমে ১৩০ টন ও ২৮০ টন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প (আরএনপিপি) নির্মাণ ঠিকাদার রাশিয়ার রসাটমের অ্যাটোমস্ট্রয়এক্সপোর্ট (এএসই) ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং রূপপুর এনপিপি নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আলেক্সি ডেইরি বলেন, ‘ব্রিজক্রেন স্থাপন প্রযুক্তিগতভাবে একটি জটিল প্রক্রিয়া। যাতে শতাধিক অপারেশনস সম্পন্ন করতে হয়। ব্রিজক্রেন স্থাপন কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন আমরা পরবর্তী ধাপে টার্বাইন কম্পার্টমেন্টের যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে সক্ষম হব। ’

আরএনপিপিতে ৩+ প্রজন্মের দুটি রুশ ভিভিইআর-১২০০ রি-অ্যাক্টর স্থাপিত হবে, যার আন্তর্জাতিক সব ধরনের নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে সক্ষমতা রয়েছে। জেনারেল কন্ট্রাক্টর হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রসাটমের প্রকৌশল বিভাগ। প্রকল্পের প্রথম ইউনিট ২০২৩ সালে এবং দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২৪ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিনরাত দেশি-বিদেশি প্রায় ৩৫ হাজার শ্রমিক কাজ করে যাচ্ছেন।

 



সাতদিনের সেরা