kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০২২ । ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

দর্শকের ওপর ক্ষুব্ধ ইউএনও ভাঙলেন ট্রফি

লামা-আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দর্শকের ওপর ক্ষুব্ধ ইউএনও ভাঙলেন ট্রফি

মেহরুবা ইসলাম

বান্দরবানের আলীকদমে দর্শকের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহরুবা ইসলাম ফুটবল টুর্নামেন্টের দুটি ট্রফি ভেঙে ফেলেছেন। শুক্রবার রাতে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে এ দৃশ্য দেখা গেছে।

ট্রফি ভাঙার প্রতিবাদে গতকাল শনিবার বিকেলে আলীকদমে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে স্থানীয়রা। প্রতিবাদসভায় আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম ইউএনও মেহরুবা ইসলামকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন। তিনি জানান, চৈক্ষং ইউনিয়নের রেপারপাড়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মাসব্যাপী আন্ত ইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্ট হয়। শুক্রবার টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ছিল। আবাসিক জুনিয়র বনাম রেপারপাড়া বাজার একাদশের মধ্যকার খেলা নির্ধারিত সময়ে  ২-২ গোলে ড্র হয়। টাইব্রেকারে আবাসিক জুনিয়র একাদশ ৩-১ গোলে জয়ী হয়। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ইউএনও মেহরুবা ইসলাম। বক্তব্যের এক পর্যায়ে ইউএনও উপস্থিত দর্শকদের বলেন, ‘খেলায় হার-জিত থাকবে, এতে কারো মন খারাপের কারণ নেই। এ জয়-পরাজয়ের কথা আমাদের কত দিন মনে থাকবে?’ এ সময় দর্শকদের কয়েকজন বলেন, ‘যত দিন ট্রফি থাকবে, এই ট্রফি দেখব, তত দিন মনে থাকবে। ’ দর্শকদের এই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে ইউএনও ক্ষুব্ধ হয়ে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ ট্রফি টেবিলে আছড়ে ভেঙে ফেলেন।

কফিল উদ্দিন বলেন, ‘এ ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। ’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও মেহেরুবা ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণের সময় হঠাৎ একজন এসে বলল, তিন গোল, চার গোল তারা মানে না। তখন আমি বললাম, খেলা আবার হবে কি না? তখন এটা নিয়ে পেছন থেকে খুব আওয়াজ শুরু হলো। কয়েকজন বলল, তারা ট্রফি নেবে না, এই ট্রফি যত দিন থাকবে একটা আক্রোশ থাকবে। তারা বলল, ট্রফি ভেঙে ফেলা হোক।

 



সাতদিনের সেরা