kalerkantho

শনিবার । ২০ আগস্ট ২০২২ । ৫ ভাদ্র ১৪২৯ । ২১ মহররম ১৪৪৪

সবিশেষ

‘চোখের নড়াচড়া’ স্মৃতিশক্তি তৈরিতে সাহায্য করে

সাব্বির খান, স্ক্যান্ডিনেভিয়া প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘চোখের নড়াচড়া’ স্মৃতিশক্তি তৈরিতে সাহায্য করে

‘চোখের নড়াচড়া’ এমন প্যাটার্ন বা নকশা তৈরি করে, যা আমাদের দেখা বিষয়গুলো মনে রাখতে সাহায্য করে। সম্প্রতি সুইডেনের গবেষকরা এটি প্রমাণ করতে পেরেছেন। বিশেষ কিছু স্মরণ করার জন্য মানুষ কেন প্রায়ই চোখ বন্ধ করে, সে প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন গবেষকরা।

মস্তিষ্ক বিশাল দৃশ্যপটের শুধু একটি ছোট অংশের তথ্য নিয়ে তা একবার প্রক্রিয়া করতে পারে।

বিজ্ঞাপন

এটি মানুষের এক ধরনের সীমাবদ্ধতা। তবে প্রতি সেকেন্ডে দৃশ্যপট থেকে তিন-চারবার চোখ সরিয়ে এবং পুনরায় সেখানে চোখ রেখে (ফোকাসিং) এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। এভাবে প্রতিবার ফোকাসিংয়ের মাধ্যমে চোখ বিশাল দৃশ্যপটের নমুনা সংগ্রহ করে। অর্থাৎ চোখের সামনে দেখা সব কিছুর একটি করে ছবি তোলা হয় এবং সেসব ছবির সিরিয়াল বা অনুক্রম তৈরি (ফিক্সেশন) করা হয়। আর এভাবেই চোখের নড়াচড়ার পর্যায়ক্রম অনুসরণ করে এবং ফিক্সেশনের সাহায্যে পর্যায়ক্রমিক ছবি তৈরি করে স্মৃতিতে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।

চোখের নড়াচড়ার এই তত্ত্ব নতুন নয়। সম্প্রতি সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রজার জোহানসন ও মিকায়েল জোহানসন প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন যে মানুষ একবার যে দৃশ্য দেখে, সে দৃশ্যের স্মৃতি পুনরায় স্মরণ করার সময় তার চোখের নড়াচড়াগুলো অচেতনভাবে সেই একই প্যাটার্ন অনুসরণ করে, যে প্যাটার্নে চোখ নড়াচড়া করেছিল দৃশ্যটি প্রথম দেখার সময় বা কোডিং করে স্মৃতিতে গচ্ছিত রাখার সময়।

তত্ত্বটি প্রমাণ করতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সহযোগী অধ্যাপক রজার জোহানসন ও তাঁর সহকর্মী মিকেল জোহানসন বলেন, বিদ্যমান প্রযুক্তির অধিকতর বিকাশ ঘটানো এবং পরীক্ষার ক্ষেত্র তৈরি করার জন্য নির্বাচিত পদ্ধতিগুলোকে পরিমার্জিত করা ছাড়াও এই দুইয়ের যৌথ সংমিশ্রণ ঘটানোটা  ছিল মূলত ধৈর্য ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

 



সাতদিনের সেরা