kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ আগস্ট ২০২২ । ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১২ মহররম ১৪৪৪

শাহজালাল বিমানবন্দর

২৩ লাখ সৌদি রিয়াল ফেলে পালালেন যাত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২৩ লাখ সৌদি রিয়াল ফেলে পালালেন যাত্রী

লাগেজে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রেখেছিলেন ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল। পাচার করে তা নিয়ে যাচ্ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। কিন্তু বিমানবন্দরে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং ঢাকা কাস্টম হাউসের যৌথ টিমের তৎপরতা দেখে লাগেজ ফেলেই পালিয়ে যান যাত্রী।

গত বুধবার রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপপরিচালক আহমেদুর রেজা চৌধুরী জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের চেকিং হচ্ছিল। সেই সময় ফ্লাইটের প্যাসেঞ্জারস হোল্ড ব্যাগেজ স্ক্রিনিংরুমের স্ক্যানিং মেশিনে লাগেজটি স্ক্যান করা হলে মুদ্রাসদৃশ বস্তুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। লাগেজটির মালিককে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। পরে বিমানবন্দরে দায়িত্বরত বিভিন্ন সংস্থা ও এভিয়েশন সিকিউরিটির উপস্থিতিতে লাগেজটি কাস্টমস হলে এনে খোলা হয়। লাগেজে থাকা ৩৪টি শার্টের ভেতরের কাগজের বোর্ডের মধ্যে বিশেষ কায়দায় ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল লুকিয়ে রাখা ছিল।

টাকার হিসাবে জব্দ করা সৌদি রিয়ালের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় পৌনে ছয় কোটি টাকা।

আহমেদুর রেজা চৌধুরী আরো বলেন, যাত্রীকে খুঁজে না পাওয়ায় লাগেজের সঙ্গে থাকা ট্যাগ থেকে এমিরেটস কাউন্টার, ইমিগ্রেশন ও এভিয়েশন সিকিউরিটির সহায়তায় যাত্রীর বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। বুধবার রাতে যাত্রী মামুন খান এমিরেটস এয়ারলাইনসের (EK 585) ফ্লাইটে দুবাই যাওয়ার জন্য চেক ইন করেন। পরে লাগেজ আটক হওয়ায় এর মালিক ইমিগ্রেশন শেষ না করেই এয়ারপোর্ট থেকে চলে যান।

এ বিষয়ে অধিকতর অনুসন্ধান চলছে উল্লেখ করে উপপরিচালক বলেন, জব্দ করা বৈদেশিক মুদ্রা ও লাগেজ ট্যাগের সঙ্গে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে বর্ণিত যাত্রীর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় ফৌজদারি মামলা হচ্ছে। জব্দ করা বৈদেশিক মুদ্রা কাস্টমস গুদামে জমা দেওয়া হবে। এ ছাড়াও কাস্টমস অ্যাক্ট ও বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান কাস্টমস গোয়েন্দার এ কর্মকর্তা।

 



সাতদিনের সেরা