kalerkantho

রবিবার । ১৪ আগস্ট ২০২২ । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৫ মহররম ১৪৪৪

‘কক্সবাজারকে আকর্ষণীয় পর্যটননগরী করা হচ্ছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



‘কক্সবাজারকে আকর্ষণীয় পর্যটননগরী করা হচ্ছে’

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গতকাল এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে কউক চেয়ারম্যান ফোরকান আহমদের হাতে শুদ্ধাচার পুরস্কার তুলে দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার। ছবি : কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারকে আকর্ষণীয় পর্যটননগরী হিসেবে গড়ে তুলতে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকার কথা, সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকবে। যেখানে বাণিজ্যিক এলাকা থাকার কথা, সেখানে বাণিজ্যিক এলাকা থাকবে। পর্যটনের জন্য পরিকল্পিত পর্যটন এলাকা গড়ে তোলা হবে।

বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার বিকেলে ২০২১-২২ অর্থবছরে শুদ্ধাচার পুরস্কার গ্রহণ ও এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ এ কথা  জানিয়েছেন।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১২টি দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে অনন্য নজির স্থাপন করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)। প্রতিষ্ঠার স্বল্প সময়ের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় গতকাল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে কউক চেয়ারম্যান ফোরকান আহমদের হাতে শুদ্ধাচার পুরস্কার তুলে দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার। এ সময় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অন্যান্য দপ্তর ও সংস্থার চেয়ারম্যান এবং সংস্থাপ্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।  

অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ২০২২-২৩ অর্থবছরে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠার পর এই স্বল্প সময়ের মধ্যে কউক ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। কউক চেয়ারম্যানের দক্ষ লিডারশিপের কারণে এই অর্জন সক্ষম হয়েছে। ভবিষ্যতে কউক সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার বলেন, এপিএ চুক্তি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের দর্পণস্বরূপ। বর্তমান সময়ে এপিএ চুক্তির মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানের সফলতা-ব্যর্থতা প্রতিফলিত হয়। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে এপিএ চুক্তি, বার্ষিক উদ্ভাবন কর্ম পরিকল্পনা এবং জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ধারাবাহিক অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কউক চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ বলেন, ‘১২টি দপ্তর সংস্থার প্রধানদের মধ্যে আমাকে শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। আমাদের টিমের প্রত্যেকের অবদান আছে। এটি পাওয়ার পর দায়িত্ব আরো বেড়ে গেছে। আগামী বছর যেন পজিশনটা ধরে রাখতে পারি, সে জন্য কাজ করতে হবে। আমাদের কাজের আগ্রগতি হান্ড্রেড পার্সেন্ট। ’

প্রশ্নের জবাবে ফোরকান আহমদ  বলেন, ‘ইনোভেটিভ অনেক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, মানুষ যাতে সহজে সেবা পায়। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নতুন প্রতিষ্ঠান, মানুষ জানত না। আইনটা প্রয়োগ করার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি। বিভিন্ন জায়গায় সভা করেছি। ’ 

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের কক্সবাজার নিয়ে মহাপরিকল্পনা হচ্ছে। সবাইকে নিয়ে কাজ করব, সবাইকে কাজের সুযোগ করে দেওয়া আমাদের কাজ। কক্সবাজার আনপ্ল্যানড ওয়েতে গড়ে উঠেছে। পরিকল্পিতভাবে আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটননগরী যাতে হয় সেটা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অনেক এক্সপার্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। তারা কাজ করবে। ইনশাআল্লাহ দুই বছরের মধ্যে কাজটা শেষ হবে। ’

আরেক প্রশ্নের জবাবে ফোরকান আহমদ  বলেন, ‘ভালো কাজ করতে গেলে বাধা আসবেই। কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেটা করা হবে। আবাসিকের জায়গায় আবাসিক হবে, যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হবে।   যেখানে বাণিজ্যক হওয়ার কথা, সেখানে বাণিজ্যিক হবে। যেখানে ট্যুরিস্ট স্পট হওয়ার কথা, সেখানে ট্যুরিস্ট স্পট হবে। আমরা চেষ্টা করব সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে এই মহাপরিকল্পনা তৈরি করব। তাহলেই কিন্তু কক্সবাজার আকর্ষণীয় পর্যটননগরী হবে, যেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব সময় চাচ্ছেন। কিছুদিন আগে তিনি আমাদের অফিস বিল্ডিং উদ্বোধন করেছেন। অফিস বিল্ডিং দেখলেই বোঝা যায় যে কক্সবাজার কী হবে। ’



সাতদিনের সেরা