kalerkantho

মঙ্গলবার। ৯ আগস্ট ২০২২ । ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১০ মহররম ১৪৪৪

বরগুনা

দুর্বৃত্তদের ছোড়া ‘এসিডে’ নারী দগ্ধ

উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, একজন আটক

বরগুনা প্রতিনিধি   

২৯ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুর্বৃত্তদের ছোড়া ‘এসিডে’ নারী দগ্ধ

বরগুনায় এক নারীর ওপর এসিডজাতীয় পদার্থ ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এতে তাঁর মুখমণ্ডল, চোখ ও গলার উপরিভাগ দগ্ধ হয়েছে। গত সোমবার রাত ১২টার দিকে সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের বৈকালীন বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কামাল নামের ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের এক চালককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।

বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী পারভিন বেগম (৩০) বৈকালীন বাজার এলাকার শাহজাহান মিয়ার মেয়ে। বৈকালীন বাজারে তাঁর একটি চায়ের দোকান আছে।

পারভিনের স্বজনরা জানান, গত সোমবার রাতে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে করে বরগুনা থেকে বৈকালীন বাজারে আসেন পারভিন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে চার-পাঁচজন লোক এসে তাঁকে এসিড ছোড়ে পালিয়ে যায়। পারভিনের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান।

ভুক্তভোগীর বাবা শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘পাশের লেমুয়া এলাকার বশির, নজরুল, নাসিরসহ বেশ কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধ ছিল আমাদের। এর জেরে গত রবিবার রাতে পারভিনের দোকানে হামলা চালান নাসির, বশির ও নজরুলরা। পরদিন এ ঘটনার বিচার চাইতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে গেলে তাঁরা পারভিনের ওপর আরো ক্ষিপ্ত হন। তাঁরাই আমার মেয়েকে এসিড ছোড়েন। ’

স্থানীয় ইউপি সদস্য লাইলি আক্তার বলেন, পারভিনের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা গিয়ে কামাল নামের একজনকে ধরে ফেলেন। কামালের বাড়ি গাবতলী গ্রামে। তিনি ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক।

বরগুনা সদর থানার ওসি আলী আহম্মেদ বলেন, ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে পরে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বরগুনা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সামসুদ্দোহা শামস বলেন, ‘ওই নারীর পরিবার বলছে এসিড। পরীক্ষা ছাড়া বলা যাচ্ছে না সেটা কী। তবে ওই নারীর মুখে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে তাঁর মুখমণ্ডল, চোখ ও গলার উপরিভাগ দগ্ধ হয়েছে। তাঁকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। ’

 



সাতদিনের সেরা