kalerkantho

শুক্রবার । ১২ আগস্ট ২০২২ । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৩ মহররম ১৪৪৪

সবিশেষ

পম্পেই নগরীর ধ্বংসাবশেষে গর্ভবতী কচ্ছপ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পম্পেই নগরীর ধ্বংসাবশেষে গর্ভবতী কচ্ছপ

দুই হাজার বছর আগে ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ধ্বংস হয়ে যায় পম্পেই নগরী। ছাইয়ে আচ্ছাদিত হয়ে জমে যায় নগরীর বাসিন্দারা। এর ১৭ বছর আগে অর্থাৎ ৬২ খ্রিস্টাব্দে এক ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয় পম্পেই। পরে নগরীর একটি এলাকায় পুনর্বাসনের কাজ করে নগরবাসী।

বিজ্ঞাপন

সেই এলাকাতেই খননকাজ চালাচ্ছিল একটি প্রত্নতাত্ত্বিক দল। সেখানে ছাই ও পাথরের নিচে চাপা পড়া একটি গর্ভবতী কচ্ছপের ডিম ও অবশিষ্টাংশের সন্ধান পেয়েছে তারা। ৭৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে এটি অনাবিষ্কৃত ছিল।

যখন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয় তখন ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি ভবনের নিচে আশ্রয় নিয়েছিল কচ্ছপটি। সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের কচ্ছপটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের একটি সরু ভূগর্ভস্থ প্রলেপে গর্ত করেছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিম পাড়ার জন্য একটি আদর্শ জায়গা খোঁজার সময় কচ্ছপটির মৃত্যু হয়।

এর আগে ২০০২ সালে পম্পেই নগরীর পাশের একটি এলাকায় আরেকটি কচ্ছপের অবশিষ্টাংশ আবিষ্কার করেছিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতাত্ত্বিক মার্ক রবিনসন। তিনি বলেন, কচ্ছপটি কিভাবে সেখানে গেল, এর দুটি ব্যাখ্যা আছে। একটি সম্ভাবনা হচ্ছে, এটি পোষা কচ্ছপ ছিল। সম্ভবত পালাতে পেরেছিল এবং ঘটনাস্থলে গিয়ে এমন পরিণতির শিকার হয়েছিল। আরেকটি সম্ভাবনা হলো, এটা পাশ্ববর্তী গ্রামাঞ্চল থেকে পম্পেই নগরীতে বিচরণ করছিল।

এই প্রত্নতাত্ত্বিক আরো বলেন, পম্পেই নগরীর বেশির ভাগ অংশই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। নগরীর সব জায়গা পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব ছিল না। আশপাশের গ্রামাঞ্চল থেকে বিভিন্ন প্রাণী এখানে চলে এসেছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পের পরও পম্পেই নগরীর প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র কতটা সমৃদ্ধ ছিল, তা এই আবিষ্কারের মাধ্যমে স্পষ্ট। সূত্র : বিবিসি



সাতদিনের সেরা