kalerkantho

শুক্রবার । ১ জুলাই ২০২২ । ১৭ আষাঢ় ১৪২৯ । ১ জিলহজ ১৪৪৩

পিতা-পুত্রসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ

রাঙামাটি প্রতিনিধি   

২৩ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পিতা-পুত্রসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম বড়থলি ইউনিয়নে সশস্ত্র হামলায় তিন গ্রামবাসী নিহতের অভিযোগ উঠেছে। ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির ইউনিয়ন সভাপতি আতুমং মারমা এই অভিযোগ করেন। একই অভিযোগ করেন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ওয়েইবার ত্রিপুরা। তবে এই হত্যাকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ কিংবা অন্য কোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।

বিজ্ঞাপন

আতুমং মারমা বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ‘কুকিচীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট’ নামের একটি নতুন সশস্ত্র সংগঠনের কর্মীরা বড়থলি ইউনিয়নের সাইজান নতুন পাড়ায় এলোপাতাড়ি গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তবে ঘটনার ২২ ঘণ্টা পরও গতকাল বুধবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে কেউ যেতে পারেননি।

আতুমং মারমা আরো জানান, যে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে, তাঁরা হলেন বৃষচন্দ্র ত্রিপুরা, সুভাষ ত্রিপুরা ও ধনরা ত্রিপুরা। তাঁদের মধ্যে সুভাষ ও ধনরা পিতা-পুত্র। বৃষচন্দ্র ওই এলাকার বাসিন্দা। তবে ঠিক কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড—সেই সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। আতুমং মারমাও অবস্থান করছেন বান্দরবানের রুমা উপজেলায়।

ইউপি সদস্য ওয়েইবার ত্রিপুরা এই হত্যাকাণ্ডের জন্য কুকিচীন পার্টিকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ওই দুর্গম পাড়াতে মাত্র তিনটি পরিবার বসবাস করত।

রাঙামাটি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মাহমুদা বেগম বলেন, ‘বিষয়টি আমরা শুনেছি। তবে দুর্গম এলাকা হওয়ায় সেখানে পৌঁছানো কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। ফলে নিশ্চিত কিছু বলতে পারছি না। ’

বিলাইছড়ি থানার ওসি আলমগীর হোসেনকে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও তিনি ধরেননি।

বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘বড়থলির চেয়ারম্যান বিষয়টি আমাকে জানানোর পর আমি বিলাইছড়ি থানাকে জানিয়েছি। এলাকাটি খুবই দুর্গম। বিলাইছড়ি থেকে সেখানে পৌঁছাতে তিন দিন এবং পাশের রুমা উপজেলা থেকে সেখানে পৌঁছাতে লাগে দুই দিন। পুরো বিষয়টি রুমা জোনকে অবহিত করা হয়েছে। তারা বিষয়টি দেখছে। ’

এদিকে কুকিচীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) নামের সংগঠনটি তাদের ফেসবুক পেজে এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। তবে ফেসবুক পেজটি সম্পর্কে কিংবা সংগঠনটি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।  

 

 



সাতদিনের সেরা